
ডেস্ক রিপোর্ট
ওয়াশিংটন থেকে এসেছে এক বড় কৌশলগত বার্তা। Donald Trump প্রশাসন কার্যত আমেরিকার প্রায় ৩০ ট্রিলিয়ন ডলারের বিশাল বাজার ভারতীয় রপ্তানিকারকদের জন্য খুলে দিয়েছে। এর ফলে দক্ষিণ এশিয়ার বাণিজ্য সমীকরণে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে, যেখানে বাংলাদেশ পড়েছে স্পষ্ট চাপে।
টেক্সটাইল, অ্যাপারেল, লেদার, ফুটওয়্যার, কেমিক্যাল, হোম ডেকর, হস্তশিল্প ও নির্দিষ্ট যন্ত্রাংশসহ একাধিক খাতে ভারত সরাসরি শুল্ক সুবিধা পাচ্ছে বলে জানা গেছে। একের পর এক পণ্যে শুল্ক নামিয়ে আনা হয়েছে শূন্যের কোঠায়। তালিকায় রয়েছে জেনেরিক ওষুধ, রত্ন ও হিরে, এমনকি বিমান যন্ত্রাংশও।
এছাড়া ভারতের জন্য সেকশন ২৩২–এর মতো কড়া বিধিনিষেধে ছাড়, অটো পার্টসে বিশেষ কোটা এবং জেনেরিক ফার্মাসিউটিক্যালসে দরকষাকষির মাধ্যমে অতিরিক্ত সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এর সরাসরি অর্থ একটাই—আমেরিকার বাজারে ভারতের অবস্থান এখন প্রায় অপ্রতিদ্বন্দ্বী।
এই নতুন সমীকরণে সবচেয়ে বড় ক্ষতিগ্রস্ত দেশ হিসেবে উঠে আসছে বাংলাদেশ। এতদিন যেসব খাতে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতায় ছিল, সেসব ক্ষেত্রেই এখন ভারত শুল্কমুক্ত বা বিশেষ সুবিধা নিয়ে প্রবেশ করছে। এতে করে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় ও বাজার অংশীদারিত্বে চাপ বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
দক্ষিণ এশিয়ার বাণিজ্য মানচিত্রে এ সিদ্ধান্ত স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। কৌশলগত অংশীদার হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের পছন্দ এখন স্পষ্টভাবে ভারতকেন্দ্রিক, আর তার প্রভাব পড়ছে পুরো অঞ্চলের ওপর।