
ডেস্ক রিপোর্ট
ইউনুস সরকারের মব বাহিনীর হাতে প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার–অফিসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহফুজ আনাম এবং প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে জামায়াতের কাছ থেকে বিশ কোটি টাকার আর্থিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছে। সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিসরে এই খবর ইতোমধ্যেই আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
তথ্য অনুযায়ী, মাহফুজ আনাম জামাতে যোগ দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন, কিন্তু দল থেকে সরাসরি সাড়া পাননি। জামায়াতের রুকন সভায় আলোচনার পর নির্বাচনের পর তাকে দলে নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। একজন প্রভাবশালী সম্পাদক যখন এমন বিতর্কিত রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার আলোচনায় আসে, তখন তা আর ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত নয়—এটি সরাসরি তার নৈতিক অবস্থান এবং গণমাধ্যমের বিশ্বাসযোগ্যতাকে প্রশ্নের মুখে ফেলে।
যিনি বছরের পর বছর মুক্তিযুদ্ধ, গণতন্ত্র ও অসাম্প্রদায়িকতার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন, তাঁর নাম যখন স্বাধীনতা–বিরোধী রাজনীতির সঙ্গে এক ফ্রেমে আলোচিত হয়, তখন পাঠকের প্রশ্ন ওঠাই স্বাভাবিক। এই আদর্শগুলো কি সত্যিই বিশ্বাস থেকে বলা হয়েছিল, নাকি পরিস্থিতি অনুযায়ী সুবিধাজনক অবস্থান নেওয়া হয়েছিল?
বিশেষ করে প্রশ্ন উঠে—জামায়াতের টাকার লোভে কি মাহফুজ আনামের যোগদান সম্ভব? এই ধরণের সন্দেহ এবং প্রকাশিত অভিযোগ শুধুই ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক কৌশল নয় এটি গণমাধ্যমের আস্থার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। তাই স্বচ্ছতা এবং প্রকাশ্য জবাবদিহি ছাড়া আস্থার ক্ষতি অনিবার্য।