নিজস্ব প্রতিবেদক
১৭ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে নির্দেশনা দিয়ে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের বিভিন্ন জেলা, মহানগর, বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ ইউনিটে পূর্ণাঙ্গ কমিটি পুনর্গঠনের ঘোষণা দেয়া হয়। কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের পক্ষ থেকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কমিটি গঠনের কথা জানানো হয়।
তবে এ ঘোষণাকে ঘিরে সাধারণ নেতাকর্মীদের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে দীর্ঘদিন ধরে দলীয় দুঃসময়ে কাজ করা, নির্যাতন ও জুলুমের শিকার ত্যাগী নেতাকর্মীরা যথাযথ মূল্যায়ন পাবেন কি না, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করছেন অনেকেই।
মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীদের একটি অংশের অভিযোগ, অতীতে অনেক ক্ষেত্রে যোগ্য ও ত্যাগীদের উপেক্ষা করে “পকেট কমিটি” বা অর্থের বিনিময়ে পদ বণ্টনের অভিযোগ উঠেছে। ফলে এবারের পুনর্গঠনে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে নেতৃত্ব নির্বাচনের দাবি জোরালো হচ্ছে।
নেতাকর্মীরা বলছেন, প্রকৃত কর্মীদের মূল্যায়ন নিশ্চিত করা গেলে সংগঠন আরও শক্তিশালী হবে এবং তৃণমূল পর্যায়ে আস্থা ফিরে আসবে। অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে যাতে তারা বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করে একটি গ্রহণযোগ্য ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় কমিটি গঠন নিশ্চিত করেন।
মন্তব্য করুন