গুলশানে আওয়ামী লীগের সাম্প্রতিক বিক্ষোভ ও সমাবেশকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। দলটির সমর্থকদের দাবি, প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও নেতাকর্মীদের দৃশ্যমান উপস্থিতি তৃণমূলে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সক্রিয়তারই ইঙ্গিত।
আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, চাপ ও প্রতিবন্ধকতার মধ্যেও তৃণমূলের সাংগঠনিক যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। গুলশানের কর্মসূচিকে তারা ভবিষ্যতে আরও বড় রাজনৈতিক কর্মসূচির পূর্বাভাস হিসেবে দেখছেন।
শেখ হাসিনাকে ঘিরেও দলটির নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রত্যাবর্তনের প্রত্যাশা রয়েছে। তাদের ধারণা, তাঁর সক্রিয় রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তন তৃণমূলকে আরও সংগঠিত করতে পারে এবং দেশের রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ তৈরি করতে পারে।
অন্যদিকে দলটির নেতারা গ্রেপ্তার ও হয়রানির মাধ্যমে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড সীমিত করার অভিযোগ তুলেছেন। তাদের বক্তব্য, চাপ প্রয়োগ করে দীর্ঘমেয়াদে একটি বড় রাজনৈতিক শক্তিকে মাঠের বাইরে রাখা সম্ভব নয়।
তবে গুলশানের একটি কর্মসূচি থেকেই আওয়ামী লীগের সামগ্রিক সাংগঠনিক শক্তি বা সরকারবিরোধী মহলে ‘ভয়’ তৈরির বিষয়টি স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায় না।
সামনের কর্মসূচি, জনসম্পৃক্ততা এবং সরকারের প্রতিক্রিয়াই নির্ধারণ করবে এই তৎপরতা দেশের রাজনীতিতে কতটা প্রভাব ফেলতে পারে।
মন্তব্য করুন