Insight Desk
প্রকাশ : Sep 11, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

দুর্নীতির কলঙ্কমুক্ত করেছিল বিএনপি? তারেক রহমানের দাবির বিপরীতে কী বলছে ইতিহাস

জাতীয় সংসদে দেওয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দাবি করেছেন, ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের বিএনপি সরকার বাংলাদেশকে দুর্নীতির কলঙ্ক থেকে বের করে এনেছিল। কিন্তু প্রায় দুই দশক আগের সেই সময়ের দুর্নীতির আন্তর্জাতিক সূচক, সংসদীয় তদন্ত, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের বিতর্ক, হাওয়া ভবন এবং তিন চাকার সিএনজি অটোরিকশা বাণিজ্যের নথি একসঙ্গে সামনে আনলে প্রশ্ন ওঠে, এই দাবি কতটা পূর্ণাঙ্গ?

প্রথমেই একটি ঐতিহাসিক তথ্য পরিষ্কার করা প্রয়োজন। বাংলাদেশ প্রথম দুর্নীতির ধারণা সূচকে সর্বনিম্ন অবস্থানে যায় ২০০১ সালে। তখন ক্ষমতায় ছিল আওয়ামী লীগ সরকার। ফলে বাংলাদেশকে প্রথম ওই অবস্থানে নিয়ে যাওয়ার দায় বিএনপি সরকারের ওপর চাপানো সঠিক নয়।

কিন্তু বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর বাংলাদেশ দ্রুত সেই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে এসেছিল, তথ্য সেটিও বলছে না। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের পুরোনো ০ থেকে ১০ স্কেলে বাংলাদেশের CPI স্কোর ২০০১ সালে ছিল মাত্র ০.৪। ২০০২ সালে তা ১.২, ২০০৩ সালে ১.৩, ২০০৪ সালে ১.৫ এবং ২০০৫ সালে ১.৭ হয়। স্কোর কিছুটা বাড়লেও ২০০২ থেকে ২০০৫ পর্যন্ত বাংলাদেশ ধারাবাহিকভাবে সূচকের একেবারে নিচের অবস্থানে ছিল। ২০০৫ সালেও ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশকে জরিপভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে সরকারি খাতে দুর্নীতির ধারণা সবচেয়ে প্রকট দেশগুলোর একটি হিসেবে উল্লেখ করে। 

অর্থাৎ ২০০১ সালের দায় আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ের হলেও, পরবর্তী চার বছরের রেকর্ড বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের শাসনামলেরই অংশ। ২০০৬ সালে বাংলাদেশ একেবারে সর্বনিম্ন অবস্থান থেকে ওপরে ওঠে। এটিকে অগ্রগতি বলা যায়, কিন্তু পাঁচ বছরের প্রায় পুরো সময়ের রেকর্ড বাদ দিয়ে এটিকে “দুর্নীতির কলঙ্ক থেকে দেশকে বের করে আনা” বলা হলে ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অংশ বাদ পড়ে যায়।

সিএনজি তিনচাকার গাড়ি: সংসদেই উঠেছিল অনিয়মের অভিযোগ
বিএনপি আমলের বহুল আলোচিত বিতর্কগুলোর একটি ছিল ঢাকায় সিএনজিচালিত তিন চাকার অটোরিকশা চালুর পর আমদানি ও বিক্রির ব্যবসা।

২০০৪ সালের ৭ জানুয়ারি জাতীয় সংসদ ভবনে যোগাযোগ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে বিষয়টি সরাসরি উঠে আসে। কমিটির সদস্যরা তৎকালীন যোগাযোগমন্ত্রী নাজমুল হুদার বিরুদ্ধে সিএনজি অটোরিকশা আমদানি ও বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ তোলেন। অভিযোগ তদন্তে সংসদীয় উপকমিটিও গঠন করা হয়। নাজমুল হুদা অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। 
পরিসংখ্যানটি ছিল আরও বিস্ময়কর।

সংসদীয় কমিটির অভিযোগ অনুযায়ী, একটি সিএনজি অটোরিকশার প্রকৃত মূল্য ছিল প্রায় ১ লাখ ৬৭ হাজার টাকা। কিন্তু একচেটিয়া বাজারের কারণে সেটি ৩ লাখ থেকে ৩ লাখ ৬৭ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছিল।

অর্থাৎ সর্বোচ্চ বিক্রয়মূল্য ধরে গাড়িপ্রতি ব্যবধান প্রায় ২ লাখ টাকা। ১ লাখ ৬৭ হাজার টাকার তুলনায় ৩ লাখ ৬৭ হাজার টাকা প্রায় ১২০ শতাংশ বেশি।
সংসদীয় কমিটির অভিযোগ ছিল, একটি প্রতিষ্ঠানকে ১০ হাজার সিএনজি অটোরিকশা আমদানির সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। ২০০৪ সালের আগস্ট নাগাদ এর মধ্যে প্রায় ৮ হাজার গাড়ি বিক্রি হয়েছিল। 

কিন্তু যে তদন্ত এক মাসের মধ্যে শেষ করার কথা ছিল, সাত মাস পরও সেটি কার্যত অচল ছিল। মার্চেই তদন্ত কমিটির একজন সদস্য অভিযোগ করেছিলেন, যোগাযোগ মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না দেওয়ায় তদন্ত এগোতে পারছে না। 

বিএনপি সরকারের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ২০০৬ সালের নভেম্বরে বাংলাদেশ অটোরিকশা শ্রমিক লীগ আরও গুরুতর অভিযোগ তোলে। সংগঠনটির দাবি ছিল, তিন চাকার সিএনজি প্রকল্পে ৩৯৬ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছিল। তাদের অভিযোগে তারেক রহমান ও সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী নাজমুল হুদার নামও আসে। সংগঠনটি দাবি করেছিল, প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা প্রকৃত মূল্যের গাড়ি ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত দিয়ে কিনতে বাধ্য করা হয়েছিল এবং প্রতিটি গাড়ির জন্য ৫ হাজার টাকার স্টিকার কিনতে বাধ্য করার মাধ্যমে আরও প্রায় ২ কোটি টাকা নেওয়া হয়েছিল। 

তবে এখানে একটি পার্থক্য গুরুত্বপূর্ণ। ৩৯৬ কোটি টাকা আত্মসাৎ এবং তারেক রহমানের সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি শ্রমিক সংগঠনটির অভিযোগ ছিল। এগুলোকে আদালতে প্রমাণিত অপরাধ হিসেবে উপস্থাপন করা যাবে না।

নাজমুল হুদাও পরবর্তীতে অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেন। তার বক্তব্য ছিল, প্রায় ৫৫ হাজার দুই স্ট্রোকের বেবিট্যাক্সি তুলে দেওয়ার পর যানবাহনের সংকট মোকাবিলা ও দূষণ কমাতে ১০ হাজার সিএনজি তিনচাকার গাড়ির আমদানির বাজার উন্মুক্ত করা হয়েছিল। 

‘খাম্বা’ কেন রাজনৈতিক প্রতীকে পরিণত হয়েছিল?
বিএনপি আমলের আরেকটি বহুল আলোচিত শব্দ ছিল “খাম্বা”। বিদ্যুৎ উৎপাদন ঘাটতির মধ্যে বিদ্যুৎ খুঁটি স্থাপন ও ক্রয়কে কেন্দ্র করে বিরোধীরা ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ তোলে। পরবর্তী সময়ে “খাম্বা” শব্দটি বিএনপি আমলের বিদ্যুৎ সংকট ও কথিত অনিয়মের রাজনৈতিক প্রতীকে পরিণত হয়।

তবে “খাম্বা” নিয়ে রাজনৈতিক প্রচারে ব্যবহৃত সব অঙ্ককে প্রমাণিত দুর্নীতির পরিমাণ হিসেবে ধরে নেওয়া ঠিক হবে না। কিন্তু বিদ্যুৎ খাতের বিভিন্ন প্রকল্প ও দরপত্র নিয়ে যে গুরুতর প্রশ্ন ছিল, তার নথি রয়েছে।

২০০৭ সালে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বিএনপি আমলে অনুমোদিত মোট ৬৪০ মেগাওয়াটের তিনটি বিদ্যুৎ প্রকল্পের চুক্তিতে অনিয়মের অভিযোগ উঠে আসে। প্রতিবেদনে হাওয়া ভবনের প্রভাবের কথাও বলা হয়। 

তাই “খাম্বা”কে শুধু রাজনৈতিক ব্যঙ্গ হিসেবে দেখলেও চলবে না, আবার রাজনৈতিক প্রচারের প্রতিটি অভিযোগকে আদালতে প্রমাণিত দুর্নীতি হিসেবেও লেখা যাবে না। বরং এটি সেই সময়ের বিদ্যুৎ খাতের সংকট, দরপত্র এবং রাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে দীর্ঘ বিতর্কের প্রতীক।

হাওয়া ভবন: দলীয় কার্যালয়, নাকি বিকল্প ক্ষমতাকেন্দ্র?
২০০১ থেকে ২০০৬ সালের ইতিহাস বিশ্লেষণে হাওয়া ভবনের প্রসঙ্গ এড়িয়ে যাওয়া কঠিন।

বনানীর হাওয়া ভবন ছিল বিএনপির রাজনৈতিক কার্যালয় এবং তারেক রহমানের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। কিন্তু সমসাময়িক সংবাদমাধ্যমে এটি শুধু দলীয় কার্যালয় হিসেবে আলোচিত হয়নি।

২০০৮ সালে দ্য ডেইলি স্টার হাওয়া ভবনকে বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের সময়ের একটি “alternative powerhouse” হিসেবে বর্ণনা করে এবং জানায়, বিএনপির ভেতরেরও অনেক নেতা এর প্রভাব নিয়ে অসন্তুষ্ট ছিলেন। 

অর্থাৎ রাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর বাইরে আরেকটি রাজনৈতিক কেন্দ্র থেকে সরকারি সিদ্ধান্ত, ব্যবসা বা দরপত্রে প্রভাব বিস্তারের যে অভিযোগ তখন ব্যাপকভাবে উঠেছিল, সেটি বর্তমান দুর্নীতিবিরোধী দাবি যাচাইয়ের ক্ষেত্রে অপ্রাসঙ্গিক নয়।

নিকো, টেংরাটিলা এবং এক কোটি টাকার গাড়ি
জ্বালানি খাতেও বিএনপি সরকারের সময় বড় বিতর্ক তৈরি হয়েছিল কানাডীয় কোম্পানি নিকো রিসোর্সেসকে ঘিরে।

২০০৫ সালের টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র বিস্ফোরণের পর নিকোর সঙ্গে সরকারের সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন আরও তীব্র হয়। সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা ছিল তৎকালীন জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসেনের নিকোর দেওয়া প্রায় ১ কোটি টাকা মূল্যের লেক্সাস গাড়ি ব্যবহারের ঘটনা।

বিতর্কের মুখে ২০০৫ সালের জুনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া তাকে পদত্যাগ করতে বলেন। সমসাময়িক প্রতিবেদনে টেংরাটিলা বিস্ফোরণে অন্তত ১০ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার হিসাবও উল্লেখ করা হয়েছিল। 

অর্থাৎ এটি শুধু বিরোধী দলের রাজনৈতিক বক্তব্য ছিল না। বিতর্ক এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে সরকারের একজন জ্বালানি প্রতিমন্ত্রীকে শেষ পর্যন্ত পদ ছাড়তে হয়েছিল।

তাহলে সংসদে দেওয়া দাবিটির মূল্যায়ন কী?

তারেক রহমানের বক্তব্যের একটি অংশের পক্ষে তথ্য রয়েছে। বাংলাদেশ প্রথম দুর্নীতির ধারণা সূচকের সর্বনিম্ন অবস্থানে যায় ২০০১ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে। বিএনপি সরকারের শেষদিকে, ২০০৬ সালে দেশ আর একেবারে সর্বনিম্ন অবস্থানে ছিল না।

কিন্তু এটিই পুরো ইতিহাস নয়।
২০০২ থেকে ২০০৫, টানা চার বছর বিএনপি সরকারের অধীনে বাংলাদেশ দুর্নীতির ধারণা সূচকের সর্বনিম্ন অবস্থানে ছিল। একই সময়ে সংসদীয় কমিটিতে তিন চাকার সিএনজি অটোরিকশা আমদানি ও বিক্রি নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ ওঠে, ১.৬৭ লাখ টাকার গাড়ি ৩.৬৭ লাখ টাকা পর্যন্ত বিক্রির অভিযোগ আসে, ১০ হাজার গাড়ির আমদানির বাজার নিয়ে প্রশ্ন ওঠে, পরে শ্রমিক সংগঠন ৩৯৬ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তোলে। পাশাপাশি ছিল হাওয়া ভবনকে ঘিরে বিকল্প ক্ষমতাকেন্দ্রের অভিযোগ, বিদ্যুৎ খাতের “খাম্বা” বিতর্ক এবং নিকোর গাড়ি কেলেঙ্কারিতে একজন প্রতিমন্ত্রীর পদত্যাগ।

এসব অভিযোগের সবগুলো আদালতে প্রমাণিত অপরাধ নয়, এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অনেকেই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। কিন্তু একটি সরকারের দুর্নীতির ইতিহাস বিশ্লেষণ করতে গেলে আন্তর্জাতিক সূচকের পাশাপাশি সংসদীয় তদন্ত, মন্ত্রীর পদত্যাগ এবং সমসাময়িক নথিভুক্ত বিতর্কগুলোও বিবেচনায় নিতে হয়।

তাই ২০০১ সালের দায় বিএনপির ঘাড়ে চাপিয়ে দেওয়া যেমন ইতিহাসের বিকৃতি হবে, তেমনি ২০০২ থেকে ২০০৫ সালের চার বছরের রেকর্ড, সিএনজি বাণিজ্য, হাওয়া ভবন, বিদ্যুৎ খাতের বিতর্ক ও নিকো কেলেঙ্কারি বাদ দিয়ে শুধু ২০০৬ সালের উন্নতি দেখিয়ে বিএনপি বাংলাদেশকে “দুর্নীতির কলঙ্ক থেকে বের করে এনেছিল” বলাও পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস তুলে ধরে না।

শেষ পর্যন্ত প্রশ্নটি তাই তারেক রহমানের সংসদীয় বক্তব্য থেকেই ফিরে আসে:
যে সরকারের চারটি পূর্ণ বছরেই বাংলাদেশ দুর্নীতির ধারণা সূচকের সর্বনিম্ন অবস্থানে ছিল এবং যার শাসনামলে সিএনজি থেকে বিদ্যুৎ, হাওয়া ভবন থেকে জ্বালানি খাত পর্যন্ত একের পর এক অনিয়মের অভিযোগ সংসদ ও সংবাদমাধ্যমে আলোচিত হয়েছিল, সেই সরকারকে কি সত্যিই “দুর্নীতির কলঙ্ক থেকে দেশকে বের করে আনা সরকার” বলা যায়?

এর উত্তর রাজনৈতিক স্মৃতিতে নয়, খুঁজতে হবে পুরো পাঁচ বছরের ইতিহাস ও পরিসংখ্যানে।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ভোটের দিন হামলার শঙ্কা

1

বিএনপিকে জলাঞ্জলি দিয়ে এসেছে তারেক, গেইনার শুধুই ইউনুস

2

সিলেটে প্রকাশ্যেই পাথর লুট করছে বিএনপি নেতারা, প্রশাসনের নীর

3

মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগে ইউনূসপন্থীদের, নি

4

অন্তর্বর্তী সরকার কি ইচ্ছাকৃতভাবেই আইনের শাসনকে পেছনে ঠেলে দ

5

মার্কিনি চালে অশান্ত দক্ষিণ এশিয়া, পরবর্তী টার্গেট দিল্লি

6

ইউনূসের বাংলাদেশে নিরাপত্তাহীন সড়ক: যমুনা সেতু পশ্চিমে রামদা

7

ফেসবুক পোস্টে গ্রেফতার বাড়ছে, মতপ্রকাশে শঙ্কা

8

৩২ নম্বরে ফুল দিতে গিয়ে চারজন গ্রেপ্তার

9

কোনভাবেই নিয়ন্ত্রণে আসছে না বিএনপির চাঁদাবাজি, জনবিস্ফোরণের

10

মাদারীপুরে ১৭ দিনে তিন বিস্ফোরণ: বাড়ছে উগ্রবাদ ও সন্ত্রাসী ত

11

নির্বাচন-পরবর্তী বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দলে উত্তাল ময়মনসিংহে

12

নতুন সরকার 'সামন্তবাদী চর্চা’ নিয়ে সমালোচনা

13

আমেরিকার হাতে দেশ দেয়ার ষড়যন্ত্রের আরেক ধাপ এগিয়ে গেল ইউন

14

হাটহাজারীতে প্রশিক্ষণ দুর্ঘটনায় দুই সেনাসদস্য নিহত, শোক জানা

15

আওয়ামী লীগ আমলে চালু হওয়া ১৪ হাসপাতালের আইসিইউ এখন বন্ধ, বাড়

16

জামায়াত ও আলী রিয়াজের পরিকল্পনায় শাহবাগে ‘জুলাই সনদ নাটক’

17

যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েল ইরান উত্তেজনা: দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ কি বৈশ

18

বিভুরঞ্জন সরকারের রহস্যজনক মৃত্যুতে আওয়ামী লীগের শোক ও উদ্বে

19

ধানমন্ডি ৩২-এ ৭ মার্চ ফুল দিতে গিয়ে আটক: ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার

20