ডেস্ক রিপোর্ট
ঢাকা, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬: শেখ হাসিনা সংগ্রাম পরিষদের উদ্যোগে পরিচালিত একটি জরিপে আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন ও গণভোটকে ‘প্রহসন’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
হোয়াটসঅ্যাপ, টেলিগ্রাম ও সিগন্যালের মাধ্যমে ২ থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চালানো এই জরিপে অংশ নিয়েছেন ১১,২৬৮ জন।
জরিপটি যৌথভাবে পরিচালনা করেছে শেখ হাসিনা সংগ্রাম পরিষদ, এবং নিউজ পোর্টাল দ্য ডেইলি রিপাবলিক ও বাংলাদেশ ইনসাইটস।
১১ ফেব্রুয়ারি জরিপের ফলাফল প্রকাশ করেন পরিষদের সভাপতি তফাজ্জল হোসেন রনো এবং সাধারণ সম্পাদক ড. আরিফ খান।

উল্লেখ্য, আইন ভেঙে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে নির্বাচন করার সুযোগ না দেয়ায়, একপেশে নির্বাচন ও অবৈধ গণভোট আয়োজন করায় দখলদার ইউনূস গংয়ের প্রতি হুশিয়ারি দিয়েছেন দলের সভাপতি ও পাচবারের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা। দলের নেতাকর্মী সমর্থক ও সকল গণতান্ত্রিক শক্তিকে নির্বাচন বর্জনের আহ্বান জানিয়েছেন।
এছাড়া বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন, বিভিন্ন দেশের সংসদ সদস্য এবং বাংলাদেশের বিভিন্ন পেশাজীবিরা ইতিমধ্যে আওয়ামী লীগ বিহীন নির্বাচন গ্রহণযোগ্যতা পাবে না, এই মর্মে বিবৃতি প্রকাশ করেছে।
জরিপে দেখা গেছে, অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে কেউই ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট দিতে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেননি। ৮৭ শতাংশ সরাসরি জানিয়েছেন যে তারা ভোট দিতে যাবেন না, আর ১৩ শতাংশ বলেছেন প্রাণের ভয়ে বাধ্য হয়ে যেতে হবে।
গণভোটের প্রশ্নে অংশগ্রহণকারীদের শতভাগই (১০০%) এটিকে সমর্থন করেন না। আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য কোনো দলের প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার কথা জিজ্ঞাসা করলে ৯২ শতাংশ জাতীয় পার্টির প্রার্থীকে, ৭ শতাংশ কমিউনিস্ট পার্টির প্রার্থীকে এবং মাত্র ১ শতাংশ বিএনপির প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন।
নির্বাচনের পর গঠিত সরকারের স্থায়িত্ব নিয়ে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ব্যাপক সন্দেহ প্রকাশ পেয়েছে। ৭৬ শতাংশ মনে করেন সরকার মাত্র এক মাস টিকবে, ১২ শতাংশ বলেছেন প্রায় তিন মাস, ৭ শতাংশ ছয় মাস এবং মাত্র ৫ শতাংশ মনে করেন এক বছর টিকতে পারে।
পরবর্তী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশ নিলে কতগুলো আসন পাবে—এই প্রশ্নে ২৪ শতাংশ বলেছেন ৫০টির কম, ৩৪ শতাংশ বলেছেন ১০০টির কম এবং ৪২ শতাংশ মনে করেন ১৫০টির বেশি আসন পেতে পারে।
মন্তব্য করুন