অনুসন্ধানী প্রতিবেদন
আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হামলার আশঙ্কা ও ঘরে থাকার আহ্বানসংবলিত একাধিক পোস্ট ছড়িয়েছে। একই সঙ্গে ২০২৪ সালে কয়েকটি থানায় অস্ত্র লুটের ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে বলা হচ্ছে, সব অস্ত্র উদ্ধার না হওয়ায় নিরাপত্তা ঝুঁকি রয়ে গেছে। অনুসন্ধানে এসব দাবির সত্যতা যাচাই করা হয়েছে।
হামলার আশঙ্কা নিয়ে কী বলছে কর্তৃপক্ষ?
পুলিশ সদরদপ্তর ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একাধিক সূত্র জানায়, নির্বাচন ঘিরে বাড়তি নিরাপত্তা পরিকল্পনা নিয়মিত প্রক্রিয়ার অংশ। গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় টহল বৃদ্ধি এবং দ্রুত প্রতিক্রিয়া টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে। তবে “প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে হামলার নির্দিষ্ট আশঙ্কা” রয়েছে—এমন কোনো আনুষ্ঠানিক সতর্কবার্তা জারি হয়নি বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। এক জ্যেষ্ঠ নিরাপত্তা কর্মকর্তা বলেন, নির্দিষ্ট হুমকি থাকলে তা জানানো হয়।
অস্ত্র লুটের বর্তমান অবস্থা
গত বছরে বেশ কয়েকটি থানায় হামলা ও অস্ত্র লুটের ঘটনায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। পুলিশ সূত্র বলছে, বিশেষ অভিযানে অধিকাংশ অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে; বাকি অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান চলমান। তবে “দেশজুড়ে সব লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার” হয়েছে—এ দাবি সঠিক নয়। সুনির্দিষ্ট সংখ্যা ও অগ্রগতি নিয়ে আনুষ্ঠানিক ব্রিফিংয়ের প্রয়োজন আছে বলে মত বিশ্লেষকদের।
নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, প্রতিটি কেন্দ্রে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা সদস্য, মোবাইল টিম ও রিজার্ভ ফোর্স প্রস্তুত থাকবে; ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বাড়তি নজরদারি থাকবে। সংবেদনশীল সময়ে শূন্য ঝুঁকি বলা না গেলেও, “প্রতিটি কেন্দ্রে হামলা নিশ্চিত” বা “অস্ত্র উদ্ধারে কোনো অগ্রগতি নেই”—এমন দাবি নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের।
মন্তব্য করুন