Insight Desk
প্রকাশ : Feb 24, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিন চুপ্পুর অপসারণ চেষ্টা, আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক

রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিন চুপ্পুকে অপসারণের উদ্দেশ্যে বঙ্গভবন ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে সংঘটিত আন্দোলন দেশের রাজনৈতিক মহলে তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। শুরুতে আন্দোলনটি শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের আকারে হলেও পরে তা উত্তেজিত হয়ে সংঘর্ষ, স্লোগান, অগ্নিসংযোগ এবং আইন ভঙ্গে রূপ নেয়।

আন্দোলনের মূল দাবি ছিল রাষ্ট্রপতির অবিলম্বে পদত্যাগ, সংবিধান সংশোধন বা বাতিল এবং ক্ষমতাসীন নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ।

অন্দোলনে যুক্ত ছিল বিভিন্ন ছাত্র ও নাগরিক সংগঠন, বিশেষত ছাত্রজনতা ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, পাশাপাশি জাতীয় নাগরিক কমিটি, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা কমিটি এবং কিছু যুব ও নাগরিক স্তরের ব্যক্তি। সাবেক উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম জানিয়েছেন যে আন্দোলনের কিছু অংশ সরকারের লোকের মাধ্যমে পরিচালিত হলেও বেশিরভাগ আন্দোলনকারী মূলত নিজস্ব উদ্যোগে সক্রিয় ছিলেন।

রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে দাবি উঠেছে, আন্দোলনে যুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। সরকারি ও বিচারিক সূত্রে জানানো হয়েছে, আন্দোলনকারীদের তালিকা তৈরি হয়েছে, খুব শীঘ্রই গ্রেপ্তার করা হবে দোষী প্রমাণিত হলে অভিযুক্তদের জীবন কারাদণ্ড বা মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত শাস্তি হতে পারে। আইনজীবী ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ধরনের সহিংস আন্দোলনের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে ভবিষ্যতে আরও অনুরূপ ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা থাকবে।

রাষ্ট্রপতি নিজ বক্তব্যে উল্লেখ করেছেন যে তাকে অপসারণের প্রচেষ্টা অবৈধ ও ষড়যন্ত্রমূলক ছিল। সরকারি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, “আইন অনুযায়ী যারা সহিংসতা ও আইন ভঙ্গ করেছে, তাদের বিরুদ্ধে দৃঢ় ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আন্দোলনটি শুধু রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার অংশ নয়, এটি দেশের আইন, শৃঙ্খলা ও গণতান্ত্রিক কাঠামোর পরীক্ষা। সাধারণ নাগরিকদের সতর্কবার্তা হচ্ছে, যেকোনো সময় আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার ও বিচার হতে পারে, তাই ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অপরিহার্য।

সাংবিধানিক সংকট সৃষ্টি করতে ইউনুস সরকার ও তার মদদপুষ্ট ছাত্ররা ষড়যন্ত্রমূলকভাবে বঙ্গভবন ঘেরাও করে রাষ্ট্রপতি অপসারণের আন্দোলনে নেমেছিল। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন সাবেক আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল, সাবেক প্রেস সচিব শফিকুল আলম, এনসিপির জামাত শিবির এবং বিভিন্ন গুপ্ত সংগঠনের নেতারা।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জামায়াতের উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে কাজ করছে প্রথম আলো-ডেইলি স্টার

1

রিকশাচালক আজিজুর রহমানই বর্তমান বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি

2

৪৫ হাজার কোটি বকেয়া, লোডশেডিংয়ে জিম্মি বাংলাদেশ

3

ইউনূস-তারেক যোগসাজশে মব সন্ত্রাস চরমে, এ বর্বরতার শেষ কোথায়?

4

ভাঙনের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ

5

ইউনুস গংদের দ্বৈত নাগরিকত্বই দ্বিচারিতার মূল কারণ

6

প্রতিমন্ত্রীকে বহনকারী গাড়ির ধাক্কায় প্রাণ গেল বৃদ্ধা ফিরোজা

7

জনমনে প্রশ্ন সেনাবাহিনী কি এখন এনসিপির পাহারাদার বাহিনী

8

⁨সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অভিযোগ: ইসকনের বিরুদ্ধে উগ্র হিন্দুত্ব

9

'নাগরিকের জীবন রক্ষায় রাষ্ট্র ব্যর্থ'- আসকের উদ্বেগ

10

কেরানীগঞ্জে কিশোরীকে ডেকে ব্ল্যাকমেইল ও ধর্ষণের অভিযোগ, স্বে

11

মার্কিনি চালে অশান্ত দক্ষিণ এশিয়া, পরবর্তী টার্গেট দিল্লি

12

বিএনপিকে জলাঞ্জলি দিয়ে এসেছে তারেক, গেইনার শুধুই ইউনুস

13

ডিজিটাল রাজনীতির নতুন পর্বে আওয়ামী লীগ, মিম-স্যাটায়ারে সক্রি

14

জঙ্গি রাষ্ট্রায়নের নেপথ্যে ইউনূস-জিয়া-হাসিনুর ও এনসিপির ভূ

15

মিডিয়াকে হুমকি গণতন্ত্রের পরিপন্থি

16

পাকিস্তানকে ৭১-এর গণহত্যার দায় মুক্তি দিতে ইউসূসের যত আয়োজ

17

হুমকিতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা, পাকিস্তানি কনফেডারেশনের নতুন ষ

18

নিষেধাজ্ঞা, মামলা-গ্রেপ্তারের মধ্যেও ফের রাজপথে ছাত্রলীগের ব

19

নসিপি ও বৈষম্যবিরোধী প্ল্যাটফর্মে নিরাপদ নয় নারী নেত্রীরা

20