নিজস্ব প্রতিবেদক
গোলাম মওলা রনি বলেন হাসিনা তার আমলে জামায়াত কে নিষিদ্ধ করেননি, তিনি জামায়াতের কার্যক্রম কে নিষিদ্ধ করেছিল, জামায়াত কে ১৭ বছর রাস্তায় নামতে দেয়নি, বিএনপি রাস্তায় নেমেছিল কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে মামলা হামলায় তারা রাজনৈতিক ভাবে পঙ্গু হয়ে গিয়েছিল।
জামায়াত কে শেখ হাসিনা নির্বাহী আদেশে নিষিদ্ধ করেছিলেন কিন্তু বিএনপি সরকার আওয়ামীলীগের কার্যক্রম সংসদে আইনের মাধ্যমে নিষিদ্ধ করেছেন, আওয়ামীলীগ এত বড় একটা দল, তাদের সাংগঠনিক শক্তি বিশাল, তার পরও বিএনপি হাসিনার চেয়ে অনেক বেশি শক্তি নিয়ে দলটিকে নিষিদ্ধ করলেন।
বিএনপি মনে করেছিল জামায়াত- এনসিপি হয়ত সরকার কে রাষ্ট্রের উন্নতির জন্য সহায়তা করবে কিন্তু তারা তা না করে তাদের একটি আইন নিয়ে মাতামাতি করছে এবং তারা জনগনের সম্পৃক্ততা পেতে জনসংযোগ, কাগজ বিলি করছে, সরকারের বিরুদ্ধে তারা হুলিয়া জারি করছে গনভোটের রায়কে মানতে কিন্তু সরকার কোন উচ্চ বাচ্য করছে না, তারা আগেই বলে দিয়েছিল গনভোটের রায়কে মানবে কিন্তু গনভোট অবৈধ তাই সেটা মানবে না, মানেওনি।
জামায়াত ও এনসিপি মনে করছেন হয়ত তারা জনগনকে সাথে নিয়ে বিএনপিকে হটিয়ে দিয়ে বীরত্বের ভাগ লুফে নিবেন কিন্তু তা কি করে সম্ভব? বিএনপি সাংগঠনিক শক্তির কাছে জামায়াত কিছু না।
কারন জামায়াত এখনো বুঝতে পারছে না বিএনপি কাকে নিয়ে কোন ভাবে খেলবে, বিএনপি যে খেলবে তা আওয়ামীলীগও জানে তাই আওয়ামীলীগ চুপচাপ আছে, আওয়ামীলীগের নেত্রী কিছু দিন আগে তারেক রহমান কে নিয়ে বলেছেন দেশের উন্নয়ন এতো সোজা না, তো তারেক শাসন করে দেখুক, তার মানেটা কিন্তু অনেক গভীর, ওদিকে ভারত কিন্তু চুপচাপ আছে, অবশ্য ই কারন আছে।
যে কোন সময় আওয়ামীলীগকে যে রাজনীতিতে আনবে না তার কোন গ্যারান্টি নেই, যদিও আওয়ামীলীগ তাদের নিজস্ব কথা বিভিন্ন ভাবে বলেছে যাচ্ছে সেটা ধোপে টিকে না, তবে বিএনপি যে চুপচাপ খেলাটি খেলবে এবং এমন সময় খেলবে জামায়াত এনসিপির কিছু করার থাকবে না।
মন্তব্য করুন