Insight Desk
প্রকাশ : Jul 17, 2025 ইং
অনলাইন সংস্করণ

জনমনে প্রশ্ন সেনাবাহিনী কি এখন এনসিপির পাহারাদার বাহিনী

নিজস্ব প্রতিবেদক

গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশে সহিংসতা ও তার পরবর্তী সময়ে সেনাবাহিনীর ভূমিকা নিয়ে জনমনে তীব্র প্রশ্ন উঠেছে। সেনাবাহিনী, যার মূল দায়িত্ব দেশের সীমান্ত ও জনগণের নিরাপত্তা রক্ষা, তাদের সাঁজোয়া যানে এনসিপি নেতাদের সুরক্ষা দিয়ে পৌঁছে দেওয়ার ঘটনা বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। অনেকে প্রশ্ন তুলছেন, সেনাবাহিনী কি এখন একটি রাজনৈতিক দলের দেহরক্ষী হিসেবে কাজ করছে? এই ঘটনা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও সেনাবাহিনীর নিরপেক্ষতা নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

গত ১৬ জুলাই গোপালগঞ্জে এনসিপির সমাবেশে আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সমর্থকদের হামলার পর সেনাবাহিনী ও পুলিশ এনসিপি নেতাদের সুরক্ষা দিয়ে সাঁজোয়া যানে করে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে পৌঁছে দেয়। এই ঘটনায় অন্তত চারজন নিহত ও অসংখ্য আহত হয়। সরকারের পক্ষ থেকে হামলার নিন্দা জানানো হলেও, সেনাবাহিনীর এই ভূমিকা নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। অনেকে দাবি করেছেন, সেনাবাহিনী এনসিপির মতো একটি “জঙ্গি-মব” ও “মৌলবাদী” দলের পক্ষে কাজ করছে, যা তাদের নিরপেক্ষতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।

বিশ্বের কাছে বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর যে মর্যাদা ছিল, তা আজ ধ্বংস হচ্ছে। ইউনুস নেতৃত্বাধীন সরকারের ছত্রছায়ায় সেনাবাহিনী আজ গণবিচ্ছিন্ন, প্রশ্নবিদ্ধ একটি দলের অংশ মনে হচ্ছে। যারা জনগণের প্রতি গুলি চালায়, তাদের আর “গৌরবময় বাহিনী” বলা যায় না। অন্যদিকে দেশের আইনশৃঙ্খলা চরম অবনতির পথে।

মব বাহিনী রাস্তায় ছড়িয়ে পড়েছে

বাংলাদেশে মব বাহিনীর দলবদ্ধ সহিংসতা দেশজুড়ে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে এবং সেনাবাহিনীর নীরবতা জনমনে ক্ষোভ ও উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত সময়ে সহিংসতা, আন্দোলন, পিটিয়ে (মব) হত্যা, সীমান্ত হত্যাকাণ্ড, নারী ও শিশু নির্যাতন, কারাগারে মৃত্যুসহ নানান ঘটনায় কমপক্ষে ৪৬৮ জন মানুষ নিহত হয়েছেন, যা মানবাধিকার পরিস্থিতির চরম অবনতি নির্দেশ করে। গোপালগঞ্জে ১৬ জুলাই এনসিপির সমাবেশে হামলা ও মিটফোর্ডে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের মতো ঘটনাগুলো জনমনে ভয়ের পরিবেশ তৈরি করেছে। 

ভুক্তভোগী মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, “মব বাহিনী রাস্তায় ভাঙচুর করছে, আমরা নিরাপত্তাহীন। সেনাবাহিনী কেন এনসিপির মঞ্চ পাহারা দিতে ব্যস্ত?” 

নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব.) আ ন ম মুনীরুজ্জামান সতর্ক করে বলেন, “মব সহিংসতা নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনীর নীরবতা অপরাধীদের সাহস বাড়াচ্ছে। এই পরিস্থিতি দেশের আইনশৃঙ্খলা ও জনআস্থার উপর গভীর সংকট তৈরি করছে।

রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা নতুন জোট করছে

কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর নতুন জোট গঠনের খবর দেশের নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। আরাকান রোহিঙ্গা সালভেশন আর্মি (এআরএসএ) এবং রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশন (আরএসও)-এর মতো সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো শিবিরে হত্যা, অপহরণ, মাদক পাচার ও সহিংসতার মাধ্যমে নতুন জোট গড়ে তুলছে। এই সংকটময় পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনীর নীরবতা জনমনে প্রশ্ন তুলেছে, যখন তারা গোপালগঞ্জে রাজনৈতিক সমাবেশে ব্যস্ত রয়েছে। এই ঘটনা বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য অশনিসংকেত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, কক্সবাজারের শরণার্থী শিবিরে এআরএসএ এবং আরএসও-এর সদস্যরা সশস্ত্র গোষ্ঠী হিসেবে শক্তি বাড়াচ্ছে। এই গোষ্ঠীগুলো অস্ত্র ও মাদক পাচারের নতুন নেটওয়ার্ক গড়ে তুলছে, যা স্থানীয় জনগণের জন্য হুমকি। গত মাসে শিবিরে অন্তত তিনটি হত্যাকাণ্ড ও পাঁচটি অপহরণের ঘটনা ঘটেছে, যা এই গোষ্ঠীগুলোর সাথে যুক্ত। এই পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনীর নীরবতা উদ্বেগজনক, কারণ তারা গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশে নিরাপত্তা দিতে ব্যস্ত রয়েছে। ১৬ জুলাই গোপালগঞ্জে সহিংসতার পর সেনাবাহিনীর সাঁজোয়া যানে এনসিপি নেতাদের সুরক্ষা দেওয়া নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

জনমনে প্রশ্ন উঠছে, জাতীয় নিরাপত্তার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত সেনাবাহিনী কেন রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের ক্রমবর্ধমান হুমকির দিকে নজর দিচ্ছে না? এক্স-এর একটি পোস্টে বলা হয়, “সেনাবাহিনী এনসিপির মঞ্চ পাহারা দিতে ব্যস্ত, অথচ রোহিঙ্গা শিবিরে সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে।” এই নীরবতা সেনাবাহিনীর নিরপেক্ষতা ও কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

পাহাড়ে বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন শক্ত হচ্ছে

চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চলে কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ)-এর মতো বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনগুলো দ্রুত শক্তি সঞ্চয় করছে, যা দেশের নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি তৈরি করছে। সশস্ত্র হামলা, অপহরণ ও অস্ত্র সংগ্রহের মাধ্যমে এই গোষ্ঠীগুলো পাহাড়ে অশান্তি ছড়াচ্ছে। অথচ, জাতীয় নিরাপত্তার দায়িত্বপ্রাপ্ত সেনাবাহিনী এই ক্রমবর্ধমান হুমকির প্রতি নীরব রয়েছে, গোপালগঞ্জে রাজনৈতিক সমাবেশে নিরাপত্তা দিতে ব্যস্ত থাকায়। এই নীরবতা জনমনে ক্ষোভ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি করছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তাদের কার্যক্রম বাড়িয়েছে। কেএনএফ পাহাড়ে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর উপর নির্যাতন ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে, এবং তাদের অস্ত্রের উৎস নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। গত বছর রুমার মুনলাইপাড়ায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হলেও, কেএনএফ-এর কার্যক্রম কমেনি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সেনাবাহিনী এই বিচ্ছিন্নতাবাদী হুমকির দিকে পর্যাপ্ত মনোযোগ দিচ্ছে না। বরং এনসিপি নেতাদের সেনাবাহিনীর সাঁজোয়া যানে সুরক্ষা দিচ্ছে। পাহাড়ে সন্ত্রাসীরা অশান্তি ছড়াচ্ছে, কিন্তু সেনাবাহিনী রাজনৈতিক মঞ্চ পাহারায় ব্যস্ত।”

জঙ্গি গোষ্ঠী সাহস পাচ্ছে

বাংলাদেশে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন হিযবুত তাহ্‌রীর, তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি), জামায়াতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ (জেএমবি) ও আনসারুল ইসলাম পুনরায় সক্রিয় হয়ে নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি সৃষ্টি করছে। হিযবুত তাহ্‌রীর ঢাকায় মিছিল, পোস্টার বিতরণ ও প্রচারণা চালাচ্ছে, এবং টিটিপি-সম্পর্কিত গোষ্ঠীগুলো সীমান্ত এলাকায় অস্থিতিশীলতা তৈরি করছে। তবে, সেনাবাহিনীর নীরবতা ও রাজনৈতিক সমাবেশে নিরাপত্তা প্রদানে ব্যস্ততা নিয়ে জনমনে ক্ষোভ বাড়ছে। রাজশাহীর মো. রফিকুল ইসলামের মতো ভুক্তভোগীরা জঙ্গি হুমকির মধ্যে নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ করছেন। এই পরিস্থিতি দেশের আইনশৃঙ্খলা ও জনআস্থার উপর গভীর সংকট তৈরি করছে।

রাজশাহীতে হিযবুত তাহ্‌রীরের হুমকির শিকার মো. আলমগীর হোসেন বলেন, “তারা আমাদের গ্রামে পোস্টার লাগাচ্ছে, ভয় দেখাচ্ছে, কিন্তু সেনাবাহিনী কিছুই করছে না। তারা রাজনৈতিক দলের পেছনে ব্যস্ত!” নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলছেন, সেনাবাহিনীর এই নীরবতা জঙ্গি গোষ্ঠীগুলোকে আরও সাহস জোগাচ্ছে, যা দেশের আইনশৃঙ্খলা ও স্থিতিশীলতার জন্য বিপজ্জনক।

হিযবুত তাহ্‌রীর, যিনি ২০০৯ সালে বাংলাদেশে নিষিদ্ধ ঘোষিত হয়েছিল, সাম্প্রতিক সময়ে প্রকাশ্যে তৎপরতা বাড়িয়েছে। ২০২৫ সালের ৭ মার্চ বায়তুল মোকাররম মসজিদের দক্ষিণ গেট থেকে তারা ‘মার্চ ফর খিলাফত’ নামে মিছিল বের করে, যা পুলিশ টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে ছত্রভঙ্গ করে। এই ঘটনার আগে সংগঠনটি ঢাকায় দুই সপ্তাহ ধরে পোস্টার বিতরণ করেছিল, যা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গোয়েন্দা ব্যর্থতার প্রমাণ। নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব.) আ ন ম মুনীরুজ্জামান বলেন, “হিযবুত তাহ্‌রীর সব সময়ই তৎপরতা চালানোর চেষ্টা করেছে। কিন্তু এখন তারা প্রকাশ্যে এসেছে, এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোনো কাজ করেনি। গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো উচিত ছিল। এখনই তাদের তৎপরতা বন্ধ না করলে এটি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে।”

অন্যদিকে, তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি), যারা আফগান-পাকিস্তান সীমান্তে সক্রিয়, বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী এলাকায় রোহিঙ্গা শিবিরে তৎপরতা বাড়াচ্ছেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। টিটিপি আল-কায়েদার সঙ্গে যুক্ত এবং শরিয়া আইন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করে।  টিটিপি পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর সমর্থনে এই অঞ্চলে প্রভাব বিস্তার করছে, যদিও এই দাবি যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

রাজশাহীর বাসিন্দা ফাতেমা বেগম বলেন, “হিযবুত তাহ্‌রীরের লোকেরা আমাদের এলাকায় রাতের বেলা পোস্টার লাগায়। তারা তরুণদের ভুল বোঝাচ্ছে। আমরা পুলিশে অভিযোগ করেছি, কিন্তু কোনো পদক্ষেপ নেই। সেনাবাহিনী তো দূরের কথা!” সিলেটের একজন ব্যবসায়ী মো. জাকির হোসেন অভিযোগ করেন, “টিটিপির মতো গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত সন্দেহবিহীন ব্যক্তিরা সীমান্তে অস্ত্র পাচারে জড়িত। আমরা ভয়ে আছি, কিন্তু সেনাবাহিনী শুধু রাজনৈতিক সমাবেশে ব্যস্ত।”

বিশ্লেষকেরা বলছেন, “সেনাবাহিনীর মূল দায়িত্ব জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষা। কিন্তু তারা এনসিপির মতো বিতর্কিত রাজনৈতিক দলের সুরক্ষায় ব্যস্ত থাকলে জঙ্গি গোষ্ঠীগুলো সুযোগ পাবে। হিযবুত তাহ্‌রীর ও টিটিপির মতো সংগঠনগুলো প্রকাশ্যে কাজ করছে, এটি গোয়েন্দা ও সামরিক ব্যর্থতার প্রমাণ।” তিনি আরও বলেন, “এই গোষ্ঠীগুলো তরুণদের মনস্তাত্ত্বিকভাবে প্রভাবিত করছে, যা দীর্ঘমেয়াদে দেশের জন্য বিপজ্জনক।”

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মব–শাসনের রক্তাক্ত বাস্তবতা, বিষবৃক্ষের ফল কুড়াচ্ছে সমাজ

1

ইউনূসের ছত্রছায়ায় এনসিপি ও বৈষম্যবিরোধী কিশোরগ্যাংয়ের দেশ

2

তিন বাহিনীকে নিয়ে জাতির সঙ্গে ইউনুসের প্রেস উইংয়ের মিথ্যাচ

3

জঙ্গি রাষ্ট্রায়নের নেপথ্যে ইউনূস-জিয়া-হাসিনুর ও এনসিপির ভূ

4

ডিএমপি কমিশনার ফের প্রমাণ করলেন, জঙ্গিদের মদদেই ক্ষমতায় ইউনূ

5

চাঞ্চল্য ছড়ানো বিদেশি নথি ফাঁস: ড. ইউনূসকে ঘিরে প্রশ্ন, লবিং

6

নির্বাচনের সম্ভাব্য সময় জানার পর আরও বেপোরোয়া বিএনপি

7

বিপদে পড়লেই আওয়ামী লীগের কথা মনে পড়ে ইউনূসের

8

মার্কিন সেনাদের উপস্থিতির পর মাজারে বেড়েছে হামলা

9

আহত শিক্ষার্থীদের নামে এনসিপির জন্য ফান্ড তুলতে গিয়ে ধরা খেল

10

ইউনূসের মালয়েশিয়া সফরকে ঘিরে প্রবাসীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ

11

জরিপ: ভোট দিতে যাবেন না ৮৭ ভাগ আওয়ামী লীগ সমর্থক, ৯২ ভাগের স

12

চাঁদাবাজদের গডফাদার নাহিদের রয়েছে জঙ্গি কানেকশন

13

জঙ্গিবাদে সম্পৃক্ততার অভিযোগে জামায়াত আমিরের ছেলে ডা. রাফাত

14

বাংলাদেশের চলছে নারীদের বিরুদ্ধে গোপন যুদ্ধ

15

ভোলায় ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজের ভোট দেওয়া পাওয়া গেল—ভোটারের অভি

16

ইউনূসের আসকারায় থানায় মিথ্যা মামলার হিড়িক, উদ্বিগ্ন বিশ্লেষক

17

ঢাবির ‘ঘ’ ইউনিটে প্রথম হওয়া শিক্ষার্থী অনন্য গাঙ্গুলীর মরদেহ

18

যশোরের শার্শায় মধ্যরাতে প্রবাসীর স্ত্রীর কক্ষ থেকে এক জামায়া

19

শেখ হাসিনাকে নিয়ে পক্ষপাতদুষ্ট প্রতিবেদন করে মিডিয়া ট্রায়াল

20