ডেস্ক রিপোর্ট
চট্টগ্রাম বন্দরে উত্তেজনা চরমে। রোববার (৭ ফেব্রুয়ারি) থেকে বন্দরের বিভিন্ন কার্যক্রমে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতিতে যাচ্ছেন শ্রমিকরা। এর ফলে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
বন্দর কর্তৃপক্ষ বরাবরের মতো দাবি করছে, এখনো কোনো চুক্তি চূড়ান্ত হয়নি এবং সরকার দেশের স্বার্থবিরোধী কোনো সিদ্ধান্ত নেবে না। তবে এসব আশ্বাসে সন্তুষ্ট নন শ্রমিকরা। তাদের অভিযোগ, বাস্তবে ভিন্ন চিত্র আড়ালে প্রস্তুত করা হচ্ছে এবং কিছু সিদ্ধান্ত সরাসরি শ্রমিকদের স্বার্থের বিরুদ্ধে যাচ্ছে।
শ্রমিক নেতারা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, চুক্তি সম্পূর্ণ বাতিল, বিতর্কিত বদলি আদেশ প্রত্যাহার এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ন্যায্য ব্যবস্থা না নেওয়া পর্যন্ত কর্মবিরতি চলবে। দাবি আদায় না হলে আন্দোলন আরও কঠোর কর্মসূচিতে গড়ানোর হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তারা।
ইতোমধ্যে বন্দরে পণ্য ওঠানামা ও কনটেইনার হ্যান্ডলিং কার্যক্রমে ধীরগতি দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি দীর্ঘ হলে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য, শিল্প উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
আলোচনা হলেও সমাধানের কোনো স্পষ্ট অগ্রগতি নেই। চট্টগ্রাম বন্দরের পরিস্থিতি এখন নজরদারিতে, আর পুরো দেশ তাকিয়ে আছে আগামী ২৪ ঘণ্টার দিকে।
মন্তব্য করুন