নিজস্ব প্রতিবেদক
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন বাণিজ্য চুক্তির “কটন ক্লজ” নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে বাংলাদেশের ৪৭ বিলিয়ন ডলারের পোশাক শিল্পে। এই শর্ত অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে শুল্ক ছাড় পেতে হলে পোশাক তৈরিতে আমেরিকান তুলা ব্যবহার করতে হবে—যা উৎপাদন খরচ বাড়াতে পারে।
বর্তমানে তুলার দামে বড় পার্থক্য রয়েছে।
ভারতীয় তুলা যেখানে প্রায় ৳১০০–১০৫/কেজি, সেখানে আমেরিকান তুলার দাম ৳১৬০–১৬৫/কেজি।
একইভাবে সুতোতেও পার্থক্য দেখা যায়—
ভারতীয় সুতো প্রায় ৳২৩৩/কেজি, আর নর্থ আমেরিকার সুতো প্রায় ৳২৮৪/কেজি।
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানির ৮৬% যুক্তরাষ্ট্রে যায়, ফলে এই শর্ত কার্যকর হলে উৎপাদন ব্যয় বাড়বে এবং প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান দুর্বল হতে পারে বলে আশঙ্কা শিল্প মালিকদের।
বিশেষজ্ঞদের মতে, শুল্ক সুবিধা পেতে উচ্চমূল্যের আমেরিকান তুলা ব্যবহার করলে লাভের মার্জিন কমবে। আবার শর্ত না মানলে প্রত্যাশিত বাণিজ্য সুবিধাও মিলবে না—দুই দিকেই অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
সরকার ও ব্যবসায়ী মহল এখন চুক্তির শর্ত স্পষ্ট করা এবং বিকল্প সরবরাহ ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনায় গুরুত্ব দিচ্ছে।
মন্তব্য করুন