নিজস্ব প্রতিবেদক | ভোলা
ভোলা জেলায় গত এক সপ্তাহে অন্তত ৩৭টি গরু চুরির ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। জেলার বিভিন্ন উপজেলার খামার ও বাড়ির গোয়ালঘর থেকে এসব গরু চুরি হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। ভুক্তভোগীদের কেউ কেউ দাবি করেছেন, এই চুরির ঘটনার সঙ্গে স্থানীয় ছাত্রদল ও যুবদলের কিছু কর্মীর সম্পৃক্ততা থাকতে পারে। তবে এসব অভিযোগ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়নি।
স্থানীয় সূত্র জানায়, রাতের আঁধারে জেলার বিভিন্ন এলাকায় পরিকল্পিতভাবে গরু চুরি হচ্ছে। এতে করে অনেক কৃষক ও গৃহস্থ বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। গত এক সপ্তাহে তজুমদ্দিন উপজেলায় ১১টি, চরফ্যাশন উপজেলায় ১৩টি, বোরহানউদ্দিন উপজেলায় ৭টি এবং জেলার অন্যান্য এলাকায় আরও ৬টি গরু চুরি হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। সব মিলিয়ে মোট ৩৭টি গরু চুরির অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ভুক্তভোগী কয়েকজন কৃষক জানান, গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা গোয়ালঘরে ঢুকে গরু নিয়ে পালিয়ে যায়। অনেক ক্ষেত্রে গোয়ালঘরের তালা ভেঙে বা বেড়া কেটে গরু নিয়ে যাওয়া হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, এর পেছনে একটি সংঘবদ্ধ চক্র কাজ করছে।
এদিকে কয়েকজন বাসিন্দা অভিযোগ করেছেন, গরু চুরির আগে এলাকাগুলোতে অপরিচিত কিছু লোকজনকে ঘোরাফেরা করতে দেখা গেছে। তাদের ধারণা, চুরির আগে এলাকাগুলো পর্যবেক্ষণ করেই এসব ঘটনা ঘটানো হচ্ছে।
স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ জানিয়েছে, গরু চুরির ঘটনাগুলো গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অন্যদিকে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তাদের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয়রা দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে চোর চক্রকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
মন্তব্য করুন