তারেক রহমানের খাম্বায় দল ছাড়া আর কেউ ব্যবসা করতে পারবে না। তাঁর ব্যবসার লাইসেন্স থাকুক আর না থাকুক! ” : কৃষক দল নেতা
সাজ্জাদ হোসেনের হাতে বিটিআরসির লাইসেন্স আছে। কাগজে সব ঠিক। তারপরও দুই মাস ধরে তাঁর ব্যবসায় বাধা আসে, চাঁদা চাওয়া হয়, আর ৩১ আগস্ট রাত পৌনে নয়টায় সরাসরি হুমকি আসে ফোনে। পরদিনই খুঁটি থেকে কেটে পড়ে থাকে তাঁর প্রতিষ্ঠানের অপটিক্যাল কেবল। ক্ষতি প্রায় দুই লাখ টাকা।
যে লোক ফোন করেছে সে কোনো সরকারি কর্মকর্তা না, নিয়ন্ত্রক সংস্থার কেউ না। সে কৃষক দলের একজন কর্মী। অথচ তার কথায় বৈধতা ঠিক হয়ে যাচ্ছে কে ব্যবসা করবে আর কে করবে না, এমনকি ব্যবসায়ীর লাইসেন্স আছে কি নেই সেটাও তার কাছে গৌণ। রাষ্ট্রের অনুমোদনের ওপরে দলের অনুমোদন বসে গেছে, এটাই আসল সমস্যা, কোনো বিচ্ছিন্ন হুমকির ঘটনা না।
বিদ্যুতের খুঁটি রাষ্ট্রের সম্পদ, প্রশাসনের অনুমতিতে সেখানে কেবল টানা হয়। সেই খুঁটি যখন কারো ব্যক্তিগত টোল আদায়ের জায়গা হয়ে যায়, বুঝতে হবে স্থানীয় প্রশাসন হয় নীরব, নয়তো অসহায়, নয়তো জড়িত। তিনটার একটাও স্বস্তির খবর না।
২০০১-০৬ সালের বিএনপি আমলে এই একই কর্মকান্ড দেখা গিয়েছিল, খুঁটি বাণিজ্য আর লাইনম্যানদের চাঁদাবাজির গল্প তখনও পত্রিকার পাতায় ছিল। প্রায় দুই দশক পর সেই ভাষাটাই আবার ফিরে এসেছে, শব্দ পাল্টায়নি, শুধু ক্যালেন্ডারের সংখ্যাটা পাল্টেছে।
সাজ্জাদ হোসেন থানায় গেছেন, পুলিশ তদন্তের কথা বলেছে। কিন্তু যে বিএনপির নাম নিয়ে হুমকি দেওয়া হয়েছে, সেই দলের পক্ষ থেকে এখনো কোনো ব্যাখ্যা আসেনি। অবশ্য নীরবতাও একধরনের জবাব বটে!
মন্তব্য করুন