Insight Desk
প্রকাশ : Aug 22, 2025 ইং
অনলাইন সংস্করণ

মুক্তিযুদ্ধের প্রশ্নে আপোষহীন বিভুরঞ্জনকে নাজেহাল হতে হয়েছে প্রেস উইংয়ের কাছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা থেকে নিখোঁজের একদিন পর বিশিষ্ট সাংবাদিক ও দৈনিক আজকের পত্রিকার জ্যেষ্ঠ সহকারী সম্পাদক বিভুরঞ্জন সরকারের (৭১) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ শুক্রবার মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় মেঘনা নদী থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে নৌপুলিশ। অন্যান্য দিনের বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে তিনি রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরীর বাসা থেকে আজকের পত্রিকার কার্যালয়ের (বনশ্রী) উদ্দেশে রওনা হন। এরপর থেকে তাঁর আর কোনো খোঁজ পাওয়া যচ্ছিল না। 

বিভুরঞ্জন সরকার একটি লেখা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে মেইল করেন ২১ অগাস্ট সকাল সোয়া ৯টায়। ফুটনোটে তিনি লেখেন, জীবনের শেষ লেখা হিসেবে এটা ছাপতে পারেন।” 

পরিবারের সদস্যরা জানান, ওইদিন ১০টার দিকে অফিসে যাওয়ার কথা বলে বাসা থেকে বেরিয়ে তিনি আর ফেরেননি। তার নিখোঁজ থাকার কথা জানিয়ে বৃহস্পতিবার রাতে থানায় জিডি করে পরিবার। শুক্রবার বিকালে মুন্সীগঞ্জের মেঘনায় তার লাশ পাওয়ার খবর জানায় পুলিশ।

লেখাটিতে বিভুরঞ্জন মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে থাকার কারণে কি ধরনের নাজেহাল হতে হয়েছে সেই বিষয়টি তুলে ধরেছেন। তিনি তাঁর লেখায় বলেন,  মুক্তিযুদ্ধের সময় আমার অবস্থান স্পষ্ট ছিল—স্বাধীনতার পক্ষে দাঁড়ানো মানে দেশের প্রতি দায়বদ্ধ থাকা। আমার এলাকায় মুক্তিযুদ্ধে কোনো অবদান না রেখেও মুক্তিযোদ্ধার সার্টিফিকেট বাগিয়ে সুযোগ-সুবিধা নিয়েছেন, নিচ্ছেন। আমি ও পথে হাঁটিনি।

শুধু মুক্তিযুদ্ধ ও অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক রাজনীতির পক্ষে অবিচল অবস্থানের কারণে আমাকে আজও ‘আওয়ামী ট্যাগ’ দেওয়া হয়। কিন্তু আওয়ামী আমলেও কোনো বাস্তব পুরস্কার পাইনি। আমি পেলাম না একটি প্লট, না একটি ভালো চাকরি। বরং দীর্ঘ সময় চাকরিহীন থেকে ঋণের বোঝা বেড়েছে। স্বাস্থ্য সমস্যার সঙ্গে পরিবারের দায়বদ্ধতা আমাকে প্রতিনিয়ত চাপের মধ্যে রাখে।

গণমাধ্যমের অবস্থা বলতে গিয়ে বিভুরঞ্জন সরকার তাঁর শেষ লেখায় লেখেন, আজকের পত্রিকায় কাজ করছি ৪ বছর হলো। এই সময়ে না হলো পদোন্নতি, না বাড়ল বেতন। অথচ জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে প্রতিদিন। সংবাদপত্র আর কীভাবে ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়াবে, ঘরের মধ্যেই যেখানে অনিয়ম।

বর্তমান গণমাধ্যমের অবস্থা নিয়েও হতাশা প্রকাশ করেন বিভুরঞ্জন। তিনি তাঁর শেষ খোলা চিঠিতে লেখেন, গত বছর সরকার পরিবর্তনের পর গণমাধ্যমের অবস্থা আরও কাহিল হয়েছে। মন খুলে সমালোচনা করার কথা প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন। কিন্তু তার প্রেসবিভাগ তো মনখোলা নয়। মিডিয়ার যারা নির্বাহী দায়িত্ব পালন করেন তারা সবাই আতঙ্কে থাকেন সব সময়। কখন না কোন খবর বা লেখার জন্য ফোন আসে। তুলে নিতে হয় লেখা বা খবর! 

এর মধ্যে আমার একটি লেখার জন্য ‘আজকের পত্রিকা’র অনলাইন বিভাগকে লালচোখ দেখানো হয়েছে। মাজহারুল ইসলাম বাবলার একটি লেখার জন্যও চোটপাট করা হয়েছে। আপত্তিকর কি লিখেছেন বাবলা? লিখেছেন, সেনাবাহিনী শেখ হাসিনাকে সামরিক হেলিকপ্টারে দিল্লি পাঠিয়েছে। আর শুধু পুলিশের গুলিতে নয়, মেটিকুলাস ডিজাইনের মাধ্যমে জঙ্গিরাও মানুষ হত্যা করেছে। এখানে অসত্য তথ্য কোথায়? শেখ হাসিনা কি হেলিকপ্টার ভাড়া করে গোপনে পালিয়েছেন? হাসিনার পুলিশ না হয় ছাত্র জনতাকে হত্যা করলো কিন্তু পুলিশ হত্যা করলো কে বা কারা? এইটুকু লেখার জন্য পত্রিকার বিরুদ্ধে তোপ দাগা একেবারেই অনুচিত।

সব মিলিয়ে পত্রিকায় আমার অবস্থা তাই খুবই নাজুক। সজ্জন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক চাপ সইতে না পেরে আমার সঙ্গে কথা বলাই বন্ধ করেছেন। আমি এখন কি করি? কোন পথে হাঁটি?

আমি লিখি, কারণ আমি জানতাম সাংবাদিকতা মানে সাহস। সত্য প্রকাশ মানে জীবনের ঝুঁকি নেয়ার নাম। দীর্ঘ পাঁচ দশকের অভিজ্ঞতা বলছে, সত্য লিখতে হলে কখনো কখনো ব্যক্তিগত স্বাচ্ছন্দ্য হারাতে হয়। আমি তেমন স্বাচ্ছন্দ্য চাইনি কখনো। তবে সারাজীবন হাত পেতে চলতে হবে এটাও চাইনি।

সূত্র বলছে, চলতি মাসে বঙ্গবন্ধু ও ২১ আগস্ট নিয়ে বেশ কয়েকটি কলাম লিখেছিলেন বিভুরঞ্জন। এরপর তাঁকে অফিসে এসে হুমকি দিয়ে যায় ইউনূসের মদদপুষ্ট রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসী বাহিনী। গত ১৬ আগস্ট থেকে ছুটিতে ছিলেন বিভুরঞ্জন সরকার। অফিস তাঁকে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠায় ওই হুমকির কারণে। শেষ পর্যন্ত জ্যেষ্ঠ এই সাংবাদিককে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। 

অনলাইন গণমাধ্যম বাংলাট্রিবিউনে গত ১৮ আগস্ট একটি কলাম লিখেছিলেন বিভুরঞ্জন। সেখানে তিনি প্রথম দিকে তিনি লেখেন, বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্ম হয়েছিল মুক্তিযুদ্ধের মহত্তম চেতনায়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার পর স্বপ্ন দেখেছিলেন একটি গণতান্ত্রিক, অসাম্প্রদায়িক ও মানবিক সমাজ গড়ার। কিন্তু সেই রাষ্ট্রপথ খুব বেশি দূর এগোতে পারেনি। 

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে যে রাষ্ট্রীয় ষড়যন্ত্রের সূচনা হলো, সেটিই আসলে এই দেশে সহনশীলতা ও মানবিক রাজনীতির মৃত্যুঘণ্টা বাজিয়ে দিলো। হত্যার পরপরই সংবিধান পরিবর্তন, মুক্তিযুদ্ধ বিরোধীদের পুনর্বাসন এবং সামরিক স্বৈরশাসনের উত্থান ঘটলো। এর ফলে রাজনীতির কেন্দ্রে চলে এলো প্রতিশোধ, ষড়যন্ত্র ও প্রতিদ্বন্দ্বীকে মুছে দেওয়ার প্রবণতা।

স্বাধীনতার পর প্রথম কয়েক বছরেই দেখা যায়, রাজনৈতিক অঙ্গনে মতবিরোধ থাকলেও বঙ্গবন্ধু বিরোধীদের সঙ্গে আলোচনার টেবিলে বসতেন, যুক্তি দিয়ে তাঁদের মোকাবিলা করতেন। কিন্তু তাঁর হত্যার পর নতুন শাসকেরা ভিন্নমতকে আর রাষ্ট্রের অংশ হিসেবে স্বীকার করলো না। শুরু হলো নিষিদ্ধকরণ, দমননীতি এবং দমনপীড়নের রাজনীতি। 

আওয়ামী লীগের কার্যক্রম স্থগিত করা হলো, অনেক নেতাকর্মীকে কারাগারে পাঠানো হলো, আবার মুক্তিযুদ্ধবিরোধী জামায়াত ও পাকিস্তানপন্থিদের রাজনীতিতে ফিরিয়ে আনা হলো। এই উল্টোপথে চলার ফলেই সমাজে সহনশীলতা ভেঙে পড়তে শুরু করলো। বিশ্লেষকেরা বলছেন, জামায়াত পাকিস্তানের বিরুদ্ধে লেখালেখির কারণে বিভুরঞ্জনকে মূল্য চোকাতে হলো। 

‘কালচারাল ফ্যাসিস্ট’ আখ্যা দিয়ে জামায়াতের হুমকি 

‘কালচারাল ফ্যাসিস্ট’ আখ্যা দিয়ে  শিল্পী, সাংবাদিক ও বিশিষ্টজনকে হুমকির মধ্যে ফেলে দিয়েছে জামায়াত। সম্প্রতি তাদের অনুসারীরা ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমানকে স্মরণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট দেওয়া কিছু শিল্পী, সাংবাদিক ও বিশিষ্টজনকে ‘কালচারাল ফ্যাসিস্ট’ আখ্যা দিয়ে তাদের ছবি-সম্বলিত ব্যানার টানিয়ে সেখানে জুতা নিক্ষেপ কর্মসূচি পালন করেছে। সেখানে বিভুরঞ্জন সরকারের ছবিও ছিল। 

এছাড়াও ছিল ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান, গায়ক লিঙ্কন (আর্টসেল), রাহুল আনন্দ, অভিনেতা সিয়াম (এসপি ক্রিয়েশন), জাহের আলভি, অরুণা বিশ্বাস, সুমন আনোয়ার, নাজিফা তুষি, সাজু খাদেম, মুমতাহিনা টয়া, সুনেরাহ বিনতে কামাল, ফারাবি হাফিজ, পিয়া জান্নাতুল, আরস খান, খাইরুল বাসার, ইরফান সাজ্জাদ, চিত্রনায়ক সাকিব খান, স্বাধীন, পারশা মেহেজাবিন, কচি খন্দকার, মেহের আফরোজ শাওন, আব্দুল নূর তুষার, আনিস আলমগীরের ছবি। 

বিশ্লেষকেরা বলছেন, জামায়াত কালচারাল ফ্যাসিস্ট তকমা দিয়ে কিছু মানুষকে হুমকি দিয়ে রেখেছেন, যা আইন বহির্ভূত কর্মকাণ্ড। এতে এসব ব্যক্তির প্রাণনাশ বা গুমের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। 

 
সংকটে গণমাধ্যম 

বাংলাদেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এক গভীর সংকটে পড়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের চাপ, মব ভায়োলেন্স এবং সাংবাদিকদের ওপর অনবরত হুমকির কারণে দেশের সংবাদমাধ্যম কার্যত প্যারালাইজড হয়ে পড়েছে। বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেল থেকে সাংবাদিক ছাঁটাই, এক্রিডিটেশন বাতিল, নিয়ন্ত্রণমূলক আচরণ ও রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নে মিডিয়া ব্যবহার—সব মিলিয়ে বাংলাদেশের সংবাদপত্র ও সম্প্রচারমাধ্যমগুলোর স্বাধীনতার ওপর এক ঘনীভূত কালো মেঘ জমেছে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে সময় টিভি থেকে চাকরিচ্যুত হন প্রধান বার্তা সম্পাদক মুজতবা দানিশ, চিফ আউটপুট এডিটর লোপা আহমেদ ও অ্যাসাইনমেন্ট এডিটর খান মুহাম্মদ রুমেল। আরেক দফা চাপ আসে ১৮ ডিসেম্বর, যখন রাজনৈতিক নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ সিটি গ্রুপের এমডির সঙ্গে দেখা করে ১০ জনের নাম সম্বলিত একটি তালিকা দেন এবং তাদের চাকরিচ্যুতির জন্য চাপ সৃষ্টি করেন। অর্থাৎ মব ভায়োলেন্সের হুমকি দেন।  একই দিন তালিকাভুক্ত পাঁচজনকে পদত্যাগ করতে বলার পর হোয়াটসঅ্যাপে তাদের বরখাস্তের নোটিশ পাঠানো হয়।

গণমাধ্যমের ওপর নিপীড়নের আরেক দৃষ্টান্ত দেখা যায় ২৯ এপ্রিল, সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব ঘিরে। পরদিন দীপ্ত টিভি তাদের প্রধান খবরের বুলেটিন বন্ধ রাখে এবং সিনিয়র ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট মিজানুর রহমানকে চাকরিচ্যুত করে। একই ঘটনার জেরে এটিএন বাংলা বরখাস্ত করে ফজলে রাব্বীকে এবং চ্যানেল আই অব্যাহতি দেয় রিপোর্টার রফিকুল বাসারকে।

একের পর এক এসব ঘটনায় প্রতীয়মান হচ্ছে, সাংবাদিকদের স্বাধীনভাবে প্রশ্ন করার সুযোগ সংকুচিত হয়ে আসছে। এমন পরিস্থিতিতে তথ্য অধিদপ্তর (পিআইডি) ২০২৪ সালের অক্টোবর থেকে নভেম্বরের মধ্যে ১৬৭ জন সাংবাদিকের এক্রিডিটেশন বাতিল করে। আন্তর্জাতিক সংস্থা এইচআরডব্লিউ জানায়, জুলাইয়ের রাজনৈতিক অস্থিরতা ঘিরে ১৪০ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের হয় এবং ১৫০ জনের অ্যাক্রিডিটেশন বাতিল করা হয়। রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা হয়েছে ১৯ জনের বিরুদ্ধে।

এ পরিস্থিতির মধ্যে ক্ষমতাসীনদের পক্ষে প্রচারেও ব্যবহার হচ্ছে মিডিয়া। ঈদুল আজহার দিনে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সামনে এক ব্যক্তির স্যার, আপনাকে পাঁচ বছর চাই বক্তব্য ছিল সুপরিকল্পিত। বিশ্লেষকদের মতে, এটি ছিল প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের সাজানো নাটক। ভিডিওটি শফিকুল ইসলাম নামের এক কর্মকর্তা পোস্ট করার পর গণমাধ্যমে তা জোরপূর্বক ছড়ানো হয়।

এই দৃশ্যমান কৌশল মূলত জনসমর্থন তৈরি ও আস্থা পুনরুদ্ধারে এক ব্যর্থ প্রচেষ্টা হিসেবেই বিবেচিত হয়েছে। ধর্মীয় উৎসব ও ঈদগাহের মতো পবিত্র মঞ্চ ব্যবহার করে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের এই প্রচেষ্টা সমালোচিত হয়েছে বিভিন্ন মহলে।

সাংবাদিকরা আজ স্বাধীনভাবে প্রশ্ন করতে ভয় পান। চাকরি হারানো, মামলা, তদন্ত, হেনস্তা কিংবা লাইসেন্স বাতিলের ভয় তাদের বাকরুদ্ধ করে রাখছে। এর ফলাফল শুধু মিডিয়ার নয়—গণতন্ত্রেরও।

বাংলাদেশে গণমাধ্যম আজ আর কেবল সত্য তুলে ধরার মাধ্যম নয়—তা হয়ে উঠেছে রাজনৈতিক চাপ, ভয়ের সংস্কৃতি ও নিয়ন্ত্রণের শিকার এক পরনির্ভর প্ল্যাটফর্ম। যেখানে প্রশ্ন করার অপরাধে সাংবাদিককে চাকরি হারাতে হয়, সেখানে স্বাধীনতা কেবল এক অলীক ধারণা।

সাংবাদিকতার মৌলিক চেতনা—জনগণের পক্ষে প্রশ্ন তোলা, সত্যের পেছনে ছোটা—আজ সেই চেতনা ভূলুণ্ঠিত। মামলা, চাকরিচ্যুতি, এক্রিডিটেশন বাতিল, রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ—এসবই সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধের আধুনিক অস্ত্র হয়ে উঠেছে। আর মব ভায়োলেন্স ও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ যে মাত্রায় বিস্তৃত হয়েছে, তাতে সংবাদমাধ্যম কার্যত পক্ষাঘাতগ্রস্ত।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

তারাকান্দায় প্রবাসীর উদ্যোগে সড়ক মেরামতে স্বস্তি অটোচালক ও এ

1

দুদক ধ্বংসে মরিয়া ইউনূস গং

2

নোয়াখালীতে তাজা কার্তুজসহ যুবদল নেতা গ্রেফতার

3

‘ছয় মাসের বেশি টিকবে না—এসব শুনতে শুনতে ১০ বছর কাটিয়ে দিলাম’

4

মার্কিনিরা কোথায় বিনিয়োগ করেছে তা দেখাতেই আয়োজিত হচ্ছে রোহিঙ

5

সীতাকুণ্ডে শ্যামাপূজার মণ্ডপে সাংবাদিকের ওপর সাম্প্রদায়িক হা

6

‘ধন্যবাদ পাকিস্তান’ মন্তব্যে আসিফ নজরুলকে ঘিরে তীব্র সমালোচন

7

ইউনূস সরকারের শাসনে নারী নির্যাতনের ভয়াবহ চিত্র: গাইবান্ধায়

8

৯ মাসে পুঁজিবাজারে মূলধন কমেছে ৫৪ হাজার কোটি টাকা

9

অন্তর্বর্তী সরকারের এক বছরে খুন ধর্ষণ বেড়েছে বহুগুণ

10

৫ আগস্টের পর বিএনপির দখলকাণ্ডে দিশেহারা জনগণ

11

আওয়ামী লীগবিহীন নির্বাচন দেশে সংকট ডেকে আনবে

12

দেশে ধর্মভিত্তিক দলগুলোকে ভুলিয়ে খ্রিস্টান রাজ্য বানাতে মরিয়

13

নির্যাতন-অবমাননার চাপে ভেঙে পড়ছে পুলিশ: “বানরের মতো খাঁচায় ব

14

শিক্ষার্থীদের দমাতে হাসনাত-সার্জিসকে দিয়ে নতুন ষড়যন্ত্রে আসি

15

যেভাবে দুর্নীতির মামলায় তারেক-গিয়াসকে খালাস দিল ইউনূস সরকার

16

সেবা নিতে হয় ঘুষ দিয়ে, মত প্রকাশেও শ্বাসরোধ

17

এবার দুর্নীতি করে ধরা খেল জুলাই আন্দোলনের মাস্টারমাইন্ড মাহফ

18

বাংলাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর সহিংসতা, ২০২৫ সালে উর্ধ্বম

19

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি: নিছক দুর্ঘটনা না কি সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত

20