নিজস্ব প্রতিবেদক
নতুন সরকার গঠনের পরও প্রশাসন ও রাষ্ট্রযন্ত্রে ‘সামন্তবাদী চর্চা’ অব্যাহত রয়েছে—এমন অভিযোগ তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন পোস্ট ও মন্তব্যে দাবি করা হচ্ছে, এসব প্রবণতা দেশের মানুষের মৌলিক অধিকার ও গণতান্ত্রিক চর্চার অন্তরায় হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি প্রশাসনিক নির্দেশনার কপি ঘিরে বিতর্কের সূত্রপাত। ব্যবহারকারীদের একাংশের দাবি, নির্দেশনার ভাষা ও অবস্থান নাগরিক স্বাধীনতার পরিপন্থী এবং মতপ্রকাশের অধিকারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তাঁদের মতে, সরকার পরিবর্তনের পরও যদি প্রশাসনিক আচরণে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি না আসে, তবে গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি শক্তিশালী হবে না।
অন্যদিকে, কয়েকজন বিশ্লেষক মনে করছেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে প্রশাসনের নির্দিষ্ট কিছু নির্দেশনা থাকতেই পারে। তবে সেটি যেন সংবিধানপ্রদত্ত অধিকার ক্ষুণ্ন না করে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকা জরুরি।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, নতুন সরকারের জন্য এটি একটি বড় পরীক্ষার মুহূর্ত—তারা কি সত্যিই প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার ও গণতান্ত্রিক চর্চা জোরদার করবে, নাকি পুরোনো কাঠামোর ধারাবাহিকতাই বজায় থাকবে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।
মন্তব্য করুন