প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সরকার গঠনের পর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ–এর নেতাকর্মীদের দেওয়া নির্বাচনী সমঝোতার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করার অভিযোগ উঠেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনের আগে স্থানীয় পর্যায়ে বিএনপি নেতৃত্ব ও প্রার্থীদের সঙ্গে আওয়ামী লীগ-ঘনিষ্ঠ নেতাকর্মীদের মধ্যে সমঝোতা হয়েছিল। ওই সমঝোতার শর্তে আওয়ামী লীগপন্থী ভোটাররা বিএনপি প্রার্থীদের সমর্থন দিলে পরবর্তীতে তাদের বিরুদ্ধে হয়রানি বন্ধ, কথিত ভুয়া ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং আটক ব্যক্তিদের জামিনে সহায়তা করা হবে—এটি প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল।
তবে বিএনপি জয়ী হয়ে সরকার গঠনের পর সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না করে উল্টো রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি শাজাহান স্বাক্ষরিত পত্রে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সূত্র জানায়, পূর্বের মামলাগুলো বহাল রয়েছে এবং কিছু ক্ষেত্রে নতুন চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে।
পত্রে বলা হয়েছে, নিষিদ্ধ থাকা সংগঠনটির যেসব নেতা-কর্মী বিভিন্ন মামলায় জামিনে মুক্ত হয়ে পুনরায় সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করতে পারেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। যেসব ব্যক্তি এ ধরনের তৎপরতায় জড়িত নয়, তাদের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি বিবেচনায় আইন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। পাশাপাশি প্রটোকল ও প্রটেকশন প্রদানের ক্ষেত্রে প্রচলিত আইন ও বিধি কঠোরভাবে অনুসরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচন-পূর্ব সমঝোতা ও পরবর্তী প্রশাসনিক পদক্ষেপ ঘিরে তৈরি বিতর্ক স্থানীয় রাজনীতিতে উত্তেজনা বাড়াতে পারে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
মন্তব্য করুন