Insight Desk
প্রকাশ : Sep 6, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

অগ্রযাত্রার পথে উল্টো হাওয়া: ঘর থেকে কর্মক্ষেত্র, সংকুচিত হচ্ছে নারীর পৃথিবী?

বাংলাদেশে নারীর অগ্রযাত্রার গল্পটি একদিনে তৈরি হয়নি। ঘরের চার দেয়াল পেরিয়ে শিক্ষা, কর্মসংস্থান, প্রশাসন, রাজনীতি, ব্যবসা, চিকিৎসা, গবেষণা, ক্রীড়া ও সংস্কৃতিতে নারীর দৃশ্যমান উপস্থিতি তৈরি হয়েছে কয়েক দশকের সংগ্রাম ও সামাজিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে। একসময় যে মেয়ের বাইরে গিয়ে পড়াশোনা করাই ছিল বড় চ্যালেঞ্জ, তার পরের প্রজন্ম বিশ্ববিদ্যালয়ে গেছে, চাকরি করেছে, সংসারের হাল ধরেছে, রাষ্ট্র পরিচালনায় অংশ নিয়েছে। নিজের আয়, নিজের পরিচয় এবং নিজের সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার অর্জন করেছে।

এই দীর্ঘ অগ্রযাত্রা বাংলাদেশকে দক্ষিণ এশিয়ায় নারীর ক্ষমতায়নের একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণে পরিণত করেছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ের বিভিন্ন পরিসংখ্যান ও ঘটনাপ্রবাহ পাশাপাশি রাখলে এখন একটি অস্বস্তিকর প্রশ্ন সামনে আসে। দীর্ঘদিন ধরে অর্জিত সেই জায়গা কি আরও বিস্তৃত হচ্ছে, নাকি ধীরে ধীরে সংকুচিত হয়ে আসছে? বাংলাদেশের নারীর অগ্রযাত্রার পথে কি উল্টো হাওয়া বইতে শুরু করেছে?

২০২৪ সালের আগস্টের আগের চিত্রের দিকে তাকালে এই প্রশ্নটি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের ২০২৩ সালের বৈশ্বিক নারী-পুরুষ বৈষম্য প্রতিবেদনে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ ছিল শীর্ষে। শিক্ষা, রাজনৈতিক অংশগ্রহণ, অর্থনৈতিক সুযোগ এবং ক্ষমতায়নের বিভিন্ন ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের অগ্রগতি বাংলাদেশের নারীদের একটি শক্ত অবস্থান তৈরি করে দিয়েছিল।

কিন্তু ২০২৪ সালের আগস্টের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর নারী ও কন্যাশিশুর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ বাড়তে থাকে। আগস্ট থেকে সেপ্টেম্বর ২০২৪, মাত্র এক মাসের ব্যবধানে নারী ও কন্যাশিশুর বিরুদ্ধে নথিভুক্ত সহিংসতা ২৭ শতাংশ বৃদ্ধির হিসাব সামনে আসে। একই সময়ে ধর্ষণের ঘটনা ৮ থেকে বেড়ে ১৩ এবং গণধর্ষণের ঘটনা ৭ থেকে ১১টিতে পৌঁছানোর তথ্যও প্রকাশিত হয়।

২০২৫ সালের পরিসংখ্যান সেই উদ্বেগ আরও গভীর করে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এক বছরে ধর্ষণের মামলা ৫ হাজার ৫৬৬ থেকে বেড়ে ৭ হাজার ৬৮টিতে পৌঁছায়, যা প্রায় ২৭ শতাংশ বৃদ্ধি। একই সময়ে নারী ও শিশু নির্যাতনসংক্রান্ত মোট মামলাও প্রায় ২৫ শতাংশ বেড়েছে।

শিশু ও কন্যাশিশুদের ক্ষেত্রে চিত্রটি আরও উদ্বেগজনক। আইন ও সালিশ কেন্দ্রের হিসাবে, ২০২৫ সালের প্রথম ছয় মাসে ধর্ষণ ও গণধর্ষণের ঘটনা আগের বছরের একই সময়ের ২৫০ থেকে বেড়ে ৪৪১টিতে পৌঁছায়। বৃদ্ধির হার প্রায় ৭৬ শতাংশ। একইভাবে প্রথম সাত মাসে কন্যাশিশু ধর্ষণের ঘটনা ১৭৫ থেকে বেড়ে ৩০৬টিতে পৌঁছানোর হিসাব সামনে আসে।

২০২৬ সালেও উদ্বেগ কমার স্পষ্ট লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। মানবাধিকার পর্যবেক্ষণকারী সংস্থার হিসাবে, বছরের প্রথম ছয় মাসে নারী ও কন্যাশিশুর ওপর বিভিন্ন ধরনের সহিংসতা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৫৬ শতাংশ বেড়েছে।

তবে নারীর পৃথিবী সংকুচিত হওয়ার প্রশ্নটি শুধু অপরাধের পরিসংখ্যান দিয়ে বোঝা যাবে না। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে জনপরিসরে নারীর স্বাধীনতার প্রশ্নও।
নারী কী পরবেন, কোথায় যাবেন, খেলাধুলা করবেন কি না, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন কি না, এমন ব্যক্তিগত বিষয় নিয়েও বিভিন্ন সময়ে বাধা, আপত্তি এবং তথাকথিত নৈতিক পাহারাদারির অভিযোগ সামনে এসেছে। ফলে প্রশ্নটি শুধু একজন নারী অপরাধের শিকার হচ্ছেন কি না, সেখানে আটকে থাকছে না। প্রশ্ন হচ্ছে, একজন নারী নিজের মতো করে জনপরিসরে থাকার স্বাধীনতা কতটা অনুভব করছেন?

একজন নারীকে শারীরিকভাবে আক্রমণের শিকার হতে হবে, তবেই যে তার স্বাধীনতা সংকুচিত হচ্ছে, বিষয়টি এমন নয়। ভয়, সামাজিক চাপ, অনলাইনে হয়রানি, পোশাক নিয়ে কটূক্তি কিংবা কোনো কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়া থেকে বিরত রাখার পরিবেশও ধীরে ধীরে তার স্বাধীন চলাচল ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরিসর ছোট করে দিতে পারে।

আর নিরাপত্তার এই প্রশ্নের পাশেই দাঁড়িয়ে আছে নারীর অর্থনৈতিক স্বাধীনতার আরেকটি বড় প্রশ্ন।

বাংলাদেশে নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের ইতিহাসে তৈরি পোশাক শিল্পের ভূমিকা অসামান্য। লাখ লাখ নারী এই শিল্পে কাজ করে প্রথমবারের মতো নিজস্ব আয় করেছেন। সেই আয় শুধু একজন শ্রমিকের হাতে মাস শেষে বেতন তুলে দেয়নি, বদলে দিয়েছে অসংখ্য পরিবারের সামাজিক বাস্তবতা। সন্তানের পড়াশোনা, পরিবারের চিকিৎসা, সংসারের ব্যয় এবং গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে নারীর ভূমিকা বেড়েছে তার উপার্জনের সঙ্গে সঙ্গে।

কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে পোশাক ও শিল্প খাতে কারখানা বন্ধ এবং শ্রমিক ছাঁটাইয়ের যে চিত্র সামনে আসছে, তা নারীর অর্থনৈতিক অবস্থান নিয়েও নতুন উদ্বেগ তৈরি করছে। ২০২৪ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর সদস্যভুক্ত মোট ৪০২টি পোশাক কারখানা স্থায়ীভাবে বন্ধ হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।

২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসেই অন্তত ২০ হাজার শ্রমিক চাকরিচ্যুত বা ছাঁটাইয়ের শিকার হয়েছেন বলে তথ্য সামনে এসেছে। শুধু বিজিএমইএর সদস্যভুক্ত ৮০টি কারখানায় ১৯ হাজার ১৮৮ জন শ্রমিক ছাঁটাই হয়েছেন, যার মধ্যে ২৭টি কারখানা পুরোপুরি বন্ধ হয়েছে। শিল্প পুলিশের হিসাবেও বছরের প্রথম পাঁচ মাসে আটটি শিল্পাঞ্চলের ৭৯টি কারখানায় ৭ হাজার ৭৮৪ জন শ্রমিক ছাঁটাইয়ের তথ্য রয়েছে।

কারখানা বন্ধ ও শ্রমিক ছাঁটাইয়ের পেছনে ক্রয়াদেশ কমে যাওয়া, ব্যাংকিং ও আর্থিক সংকট, উৎপাদন ব্যয় এবং জ্বালানি সমস্যাসহ একাধিক কারণ থাকতে পারে। কিন্তু তৈরি পোশাক শিল্পে দীর্ঘদিন ধরে বিপুলসংখ্যক নারী কর্মরত থাকায় এই খাতের সংকোচনের অভিঘাত নারীর কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতার ওপরও পড়ছে।

একজন নারী পোশাককর্মীর চাকরি হারানোর অর্থ শুধু একটি বেতন বন্ধ হয়ে যাওয়া নয়। সেই আয়ের সঙ্গে জড়িয়ে থাকতে পারে সন্তানের শিক্ষা, পরিবারের চিকিৎসা, নিজের প্রয়োজন মেটানোর সামর্থ্য এবং সংসারের সিদ্ধান্তে তার অবস্থান। অর্থনৈতিক স্বাধীনতার ভিত দুর্বল হলে অনেক ক্ষেত্রেই সামাজিক স্বাধীনতার ভিতও দুর্বল হয়ে পড়ে।

আর উদ্বেগটি শুধু বেসরকারি শিল্প খাতেই সীমাবদ্ধ নয়। সরকারি চাকরির সর্বোচ্চ প্রতিযোগিতামূলক ক্ষেত্র বিসিএসেও নারীর প্রতিনিধিত্বের নিম্নমুখী চিত্র সামনে এসেছে।

সরকারি কর্ম কমিশনের বিভিন্ন সময়ের তথ্য অনুযায়ী, ৩৪তম বিসিএসে চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্তদের মধ্যে নারীর হার ছিল ৩৫ দশমিক ৬৩ শতাংশ। ৪১তম বিসিএসে তা নেমে আসে ২৬ দশমিক ৭১ শতাংশে। ৪৩তম বিসিএসে নারীর হার ছিল ১৯ দশমিক ৪৬ শতাংশ এবং ৪৪তম বিসিএসে ২০ দশমিক ১৭ শতাংশ।
সাম্প্রতিক ৪৭তম বিসিএসে ১ হাজার ৩৩৪ জন সুপারিশপ্রাপ্তের মধ্যে নারী ছিলেন মাত্র ২৯৪ জন, অর্থাৎ প্রায় ২২ শতাংশ।

অর্থাৎ একসময় প্রতি ১০০ জন সুপারিশপ্রাপ্তের মধ্যে প্রায় ৩৬ জন নারী থাকলেও সাম্প্রতিক বিসিএসগুলোতে সেই হার বিশের ঘরে নেমে এসেছে। সরকারি প্রশাসনেও বর্তমানে নারীর অংশগ্রহণ প্রায় ২৯ শতাংশ বলে তথ্য রয়েছে।

এই পরিবর্তনের পেছনে কোনো একটি কারণকে এককভাবে দায়ী করা ঠিক হবে না। পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী নারী ও পুরুষের অনুপাত, প্রতিযোগিতা, নিয়োগ কাঠামো, সামাজিক বাস্তবতা এবং কোটা ব্যবস্থার পরিবর্তনসহ অনেক বিষয় এর সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে।

২০২৪ সালে সরকারি চাকরির কোটা কাঠামোয় বড় পরিবর্তন আসে। নারী কোটাসহ আগের বেশিরভাগ কোটা বাতিল হয়ে মোট কোটা ৫৬ শতাংশ থেকে কমে ৭ শতাংশে দাঁড়ায়। এই পরিবর্তনের সঙ্গে বিসিএসে নারীর প্রতিনিধিত্ব কমে যাওয়ার সরাসরি সম্পর্ক এখনই নিশ্চিতভাবে প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়। এর জন্য আরও কয়েকটি বিসিএসের ধারাবাহিক ফলাফল, নারী আবেদনকারীর সংখ্যা এবং নিয়োগের বিস্তারিত তথ্য বিশ্লেষণ প্রয়োজন। তবে নারীর প্রতিনিধিত্বের নিম্নমুখী প্রবণতা যে নীতিগতভাবে গুরুত্ব দিয়ে পর্যালোচনার দাবি রাখে, তা অস্বীকার করার সুযোগ নেই।

সবকিছু পাশাপাশি রাখলে ছবিটি শুধু নিরাপত্তাহীনতার নয়, শুধু কর্মসংস্থানেরও নয়। এটি নারীর সামগ্রিক অবস্থান ও স্বাধীনতার প্রশ্ন।

একদিকে নারী যদি নিজের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত হন, অন্যদিকে জনপরিসরে তার স্বাধীন উপস্থিতি বাধার মুখে পড়ে, একই সময়ে কর্মসংস্থানের সুযোগ সংকুচিত হয় এবং রাষ্ট্রীয় চাকরিতেও তার প্রতিনিধিত্ব কমতে থাকে, তাহলে প্রতিটি সমস্যাকে আলাদা ঘটনা হিসেবে দেখলে বড় ছবিটি চোখ এড়িয়ে যেতে পারে।

নারীর ক্ষমতায়ন শুধু কতজন নারী চাকরি করছেন কিংবা কতজন নারী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছেন, সেই সংখ্যা দিয়ে পরিমাপ করা যায় না। একজন নারী নিজের জীবন সম্পর্কে কতটা স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন, নিজের শ্রমের বিনিময়ে আয় করতে পারেন, সেই আয়ের ওপর কতটা নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারেন, ভয় ছাড়া কতটা চলাফেরা করতে পারেন এবং রাষ্ট্র ও সমাজের সিদ্ধান্ত গ্রহণের জায়গায় কতটা অংশ নিতে পারেন, এসবের সমন্বয়েই প্রকৃত ক্ষমতায়ন তৈরি হয়।
বাংলাদেশের নারীর অর্জনও তাই শুধু কয়েকটি পরিসংখ্যানের গল্প নয়।

এটি সেই পোশাককর্মীর গল্প, যিনি নিজের প্রথম বেতন দিয়ে সন্তানের বই কিনেছেন। সেই বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া তরুণীর গল্প, যিনি প্রশাসনে যাওয়ার স্বপ্ন দেখছেন। সেই কিশোরীর গল্প, যে মাঠে খেলতে চায়। সেই উদ্যোক্তার গল্প, যিনি নিজের ব্যবসা দাঁড় করাতে চান। সেই কর্মজীবী মায়ের গল্প, যিনি নিজের উপার্জনে পরিবারের ভবিষ্যৎ গড়ছেন।

তাদের প্রত্যেকের পথ আলাদা, কিন্তু স্বাধীনতার ভিত্তিটি একই।
নারীর নিরাপত্তা দুর্বল হলে তার চলাচলের পরিসর ছোট হয়। কর্মসংস্থান হারালে তার অর্থনৈতিক স্বাধীনতা দুর্বল হয়। প্রতিনিধিত্ব কমলে সিদ্ধান্ত গ্রহণের জায়গায় তার কণ্ঠস্বরও দুর্বল হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। আর এই প্রবণতাগুলো যদি একই সময়ে চলতে থাকে, তার প্রভাব শুধু নারীর ওপর সীমাবদ্ধ থাকে না।

একজন কর্মজীবী নারী শ্রমবাজার থেকে ছিটকে পড়লে একটি পরিবার আয়ের উৎস হারায়। একটি মেয়ে নিরাপত্তাহীনতার কারণে শিক্ষা বা কর্মক্ষেত্র থেকে নিজেকে সরিয়ে নিলে রাষ্ট্র একজন সম্ভাবনাময় নাগরিকের সক্ষমতা হারায়। আর লাখ লাখ নারীর সামনে যদি একই ধরনের বাধা তৈরি হয়, তাহলে ক্ষতিটা শেষ পর্যন্ত জাতীয় অর্থনীতি, সামাজিক অগ্রগতি এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ওপর এসে পড়ে।
বাংলাদেশের নারীরা বহু দশকের সংগ্রামে যে অবস্থান তৈরি করেছেন, সেটি কোনো একদিনে অর্জিত হয়নি। শিক্ষা, শ্রম, রাজনীতি, প্রশাসন, ব্যবসা, চিকিৎসা, গবেষণা, ক্রীড়া ও সংস্কৃতিতে নারীর প্রতিটি পদক্ষেপের পেছনে রয়েছে দীর্ঘ সামাজিক পরিবর্তনের ইতিহাস।

তাই আজ প্রশ্নটি শুধু এই নয় যে, বাংলাদেশের নারী কতটা নিরাপদ।
প্রশ্নটি আরও গভীর। এত বছরের পথচলায় যে জায়গাটি তিনি অর্জন করেছিলেন, সেই জায়গা কি আরও বিস্তৃত হচ্ছে, নাকি ধীরে ধীরে ছোট হয়ে আসছে?

ঘর থেকে কর্মক্ষেত্র, শিক্ষা থেকে প্রশাসন, অর্থনৈতিক স্বাধীনতা থেকে জনপরিসরে নিজের মতো করে বেঁচে থাকার অধিকার, সব মিলিয়েই একজন নারীর পৃথিবী।
অগ্রযাত্রার পথে যদি সত্যিই উল্টো হাওয়া বইতে শুরু করে, তবে নারীর সেই পৃথিবী সংকুচিত হওয়ার মূল্য শেষ পর্যন্ত শুধু নারীদের নয়, দিতে হবে পুরো বাংলাদেশকেই।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

পরিবেশবাদীর আড়ালে চাঁদাবাজি করা রিজওয়ানার এবার মব নিয়ে মি

1

মার্কিনি চালে অশান্ত দক্ষিণ এশিয়া, পরবর্তী টার্গেট দিল্লি

2

নির্যাতন-অবমাননার চাপে ভেঙে পড়ছে পুলিশ: “বানরের মতো খাঁচায় ব

3

বিচারবিভাগের বৈষম্যঃ একদিনে জামিন বিবি সওদার, এক মাস ধরে কার

4

নেপাল-বাংলাদেশের সহিংস আন্দোলন একই সূত্রে গাঁথা

5

ফেনীতে গরু চুরিতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা, কমিটি থেকে অব্যাহতি

6

শিল্প ডুবছে, ইউনুস ব্যস্ত আমেরিকা তুষ্টিতে

7

ঢাকার স্কুলে বিমান বিধ্বস্ত: শেখ হাসিনার শোক ও সহযোগিতার আহ

8

মবকে বৈধতা দিল প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং

9

চরমোনাই নেতার মেয়ের নৌবাহিনীতে কমিশন লাভ: ওয়াজ ও বাস্তবতার ‘

10

অব্যবস্থাপনায় আলু রপ্তানির প্রণোদনার ৭.৫৪ কোটি টাকা হাওয়া

11

রাজনীতির নামে সন্ত্রাস: বিএনপির গুলশান কার্যালয়ে সাংবাদিককে

12

চাঁদাবাজি আমি করতে দিছি’ বিএনপি নেতার স্বীকারোক্তিতে ক্ষোভে

13

বিএনপিকে জলাঞ্জলি দিয়ে এসেছে তারেক, গেইনার শুধুই ইউনুস

14

ঢাকায় জাতিসংঘের ছদ্ম মানবাধিকার: সমকামিতার বিষবৃক্ষ ও ইউনুসে

15

অসুস্থতা ও ‘মিথ্যা’ মামলা: ১ বছরের বেশি কারাগারে শামসুন্নাহা

16

দামে ধস, সংকটে কক্সবাজারের লবণ চাষিরা

17

কারাগারেই মৃত্যু আওয়ামী লীগ নেতা নূরুলের, শোক ও বিচার দাবি শ

18

রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিন চুপ্পুর অপসারণ চেষ্টা, আন্দোলনকারীদের

19

ইতিহাস ক্ষমা করে না, ২০২৬ সালের নীলনকশার নির্বাচন, সেনাবাহিন

20