Insight Desk
প্রকাশ : Jun 25, 2025 ইং
অনলাইন সংস্করণ

নির্বাচন বিলম্বে ইউনূসের নেতৃত্বে মবকাণ্ড চালাচ্ছে জামায়াত-হিযবুত

বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই বেড়ে চলেছে সহিংসতা ও মব জাস্টিসের ঘটনা। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন, এই ঘটনাগুলোর পেছনে রয়েছে গভীর ষড়যন্ত্র। অভিযোগ রয়েছে, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মদতে এসব মব জাস্টিস ঘটাচ্ছে জামায়াত ও নিষিদ্ধ সংগঠন হিযবুত তাহরীর। 

অভিযোগ উঠেছে, নির্বাচনী পরিবেশ অস্থিতিশীল করতে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পরিকল্পিতভাবে উসকানিমূলক ঘটনার জন্ম দেওয়া হচ্ছে। এর পেছনে জামায়াত-হিযবুতের সক্রিয়তা ও ইউনূসের প্রত্যক্ষ নেতৃত্বে একটি বিশৃঙ্খল চক্র কাজ করছে—যারা চায় নির্বাচনকে বিলম্বিত করতে।

সম্প্রতি সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে রবীন্দ্র কাছারিবাড়িতে হামলা ও ব্যাপক ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। রবীন্দ্র কাছারিবাড়ির অডিটোরিয়ামে জানালা-দরজা ভাঙচুর করে তৌহিদী জনতা নামে জামায়াত ও হিজবুতের নেতাকর্মীরা। স্থানীয়দের দাবি, এই ঘটনাও ছিল সংগঠিত মবের একটি অংশ—যার মূল উদ্দেশ্য পরিবেশ উত্তপ্ত করে প্রশাসনকে কোণঠাসা করা।

সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে যে ধরনের জনতা-নির্ভর আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, তাতে সুশীল সমাজের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। চট্টগ্রামে বাম সংগঠনের এক কর্মসূচিতে প্রকাশ্যে এক নারীকে লাথি মারার ঘটনা এবং পরে অভিযুক্ত শিবির নেতাকে ফুলেল শুভেচ্ছা—এই দুই চিত্রই প্রশ্ন তোলে, এই ‘মব’ সংস্কৃতির উৎস কী?

বিশ্লেষকরা বলছেন, এমন ঘটনায় জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। আর নির্বাচনের আগে এমন পরিবেশে ভোটাররাও তাদের ভোট ঠিকভাবে দিতে পারবে না। এতে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধই থাকবে।  

জাতীয় উৎসব ঈদেও মবের শাসন থেমে থাকেনি। টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ‘তাণ্ডব’ সিনেমা প্রদর্শনী বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সিলেটের সীমান্তবর্তী উৎমাছড়া এলাকাতেও পর্যটকদের বাধা দিয়েছে জামায়াত ও এনসিপির নেতাকর্মীরা। বন্ধ করে দেয়া হয়েছে বিনোদন ও ভ্রমণ পিপাসুদের আনন্দ-উৎসবের পথ।

এই ধরনের কর্মকাণ্ড স্পষ্ট করে যে, একটি সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক কৌশল—নির্বাচন ঠেকাতে বা বিলম্বিত করতে সমাজে ভয়, বিভ্রান্তি ও বিশৃঙ্খলা ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই মব সংস্কৃতি ও সহিংসতা যদি এখনই রোধ করা না যায়, তাহলে আসন্ন নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়বে। এমন প্রেক্ষাপটে পুরো জাতি একটি অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে এগোচ্ছে।

বিশ্লেষরা বলছেন, “দেশে এক নতুন ধরনের হাইব্রিড অরাজকতা শুরু হয়েছে। জামায়াত-হিযবুতের পুরনো কৌশল এবং তৃতীয় পক্ষের আর্থিক ও কৌশলগত সহায়তায় দেশকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেওয়ার চক্রান্ত চলছে। এসব চক্রান্ত রুখতে সাধারণ শিক্ষার্থী ও সচেতন নাগরিকদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিএনপির দুর্নীতির টাকায় তাণ্ডব চালাতো জঙ্গিরা!

1

আন্তর্জাতিক খেলোয়াড় ইউনূসকেও পাত্তা দিল না আমেরিকা

2

গ্যাঁড়াকলে ইউনূস, পলাতে চাইলেও মিলছে না অনুমতি

3

সুন্দরবনে কোলাহলপূর্ণ পিকনিক: সমালোচনার কেন্দ্রে উপদেষ্টা সৈ

4

দিল্লির নিজামুদ্দিন দরগাহে বঙ্গবন্ধুর স্মরণে ইফতার মাহফিল অন

5

আমেরিকান ষড়যন্ত্রে জাতিসংঘের সমর্থনে জামায়াতি চালে পতন হয় শে

6

মার্কিন ‘কটন ক্লজে’ চাপে বাংলাদেশের পোশাক শিল্প, খরচ বাড়ার আ

7

এক সপ্তাহে ভোলায় ৩৭টি গরু চুরি, ছাত্রদল ও যুবদল কর্মীদের সম্

8

অষ্টম শ্রেণির ছাত্রকে ‘ছাত্রলীগ নেতা’ বানিয়ে গ্রেপ্তার

9

বাংলাদেশের মানবাধিকার সংকট: কণ্ঠরোধ, স্বাধীনতা হরণ, সর্বত্র

10

ড. ইউনূসের পৈতৃক বাড়ির ফটকে দেয়াললেখা: জনরোষের প্রতিফলন বলছে

11

মব উস্কে দেশ ধ্বংসের নীলনকশা করেছে ইউনূস গং

12

শাহজালাল বিমানবন্দরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: ইউনুস সরকারের নীরব সম

13

নির্বাচন পর্যবেক্ষক ইস্যু: ভারতকে আমন্ত্রণ বাংলাদেশের, দিল্ল

14

ট্রাম্পের বার্তায় কূটনৈতিক শুভেচ্ছা নাকি চাপের ইঙ্গিত?

15

কোনভাবেই নিয়ন্ত্রণে আসছে না বিএনপির চাঁদাবাজি, জনবিস্ফোরণের

16

শেষ ধাপে ইউনূসের মিশন, আলোচনায় ‘মাইনাস টু’

17

ঢাবির নিয়ন্ত্রণে শিবির, সাধারণ শিক্ষার্থীদের বানাচ্ছে দাবার

18

কক্সবাজারে মৌলবাদী হুমকির পর খুন হলেন যুবলীগ নেতা

19

বিটকয়েন সম্পদ— যাদের নাম জড়ালো বিতর্কে

20